নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার হাওরের ধানখেতে পাওয়া গলিত লাশের পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি হলেন উপজেলার বরান্তর গ্রামের মুক্তু মিয়া (৬৫)। পাঁচ-ছয় দিন ধরে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। তবে মৃত্যুর কারণ জানতে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা সদর হাসপাতালের পাঠিয়েছে পুলিশ।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন এই তথ্য জানান।
এর আগে গতকাল সোমবার বিকেলে উপজেলার বরান্তর গ্রামের ধলি হাওরের ধানখেতে গলিত অবস্থায় এক ব্যক্তির গলিত মরদেহ দেখতে পান কৃষকেরা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
পরে আজ সকালে পরনের কাপড়চোপড় দেখে পরিবারের লোকজন এটি মুক্তু মিয়ার মরদেহ বলে শনাক্ত করেন। তিনি পাঁচ-ছয় দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন। যে জায়গায় মুক্তু মিয়ার মরদেহ পাওয়া গেছে, এটিও তাঁর নিজের জায়গা বলে জানা গেছে। তবে নিখোঁজের বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো সাধারণ ডায়েরি করা হয়নি।
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য আশরাফ চৌধুরী সোহেল বলেন, মুক্তু মিয়া অসুস্থ ছিলেন, একবার স্ট্রোকও করেছিলেন। হয়তো ধানখেত দেখতে গিয়ে সেখানে স্ট্রোক করে মৃত্যু হয়েছে। তিনি মোবাইল ফোন ব্যবহার করতেন না। তাই তাঁকে খুঁজে পাওয়া কঠিন ছিল। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে খোঁজাখুঁজি করছিলেন।
পরিবারের বরাত দিয়ে ওসি হাফিজুল ইসলাম বলেন, মরদেহের পরনের জামাকাপড় দেখে পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি মুক্তু মিয়ার বলে শনাক্ত করেছেন। মৃত্যুর কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।