হোম > সারা দেশ > নাটোর

নাটোরে ২৭ প্রার্থীর ১৯ জনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত

নাটোর প্রতিনিধি 

নাটোরের চারটি আসনে ২৭ প্রার্থীর মধ্যে ১৯ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। প্রতিটি আসনে প্রদত্ত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগ বা সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট না পেলে ওই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার বিধান রয়েছে। এই শর্ত পূরণ না হওয়ায় ১৯ জন প্রার্থী তাঁদের জামানত হারিয়েছেন।

নাটোরের জেলা প্রশাসক ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা আসমা শাহীন ঘোষিত ভোটের আনুষ্ঠানিক ফলাফল বিশ্লেষণ শেষে এ তথ্য জানা গেছে।

নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, নাটোর জেলার ৪টি আসনেই বিজয়ী বিএনপি প্রার্থীদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থীরা। বিএনপি, জামায়াত ও নাটোর-১ আসনের একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী ছাড়া অন্য দলের প্রার্থীরা প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভোট পেতে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া)

এই আসনে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ৭৪ হাজার ৪০৯টি। জামানত রক্ষার জন্য প্রার্থীদের প্রয়োজন ছিল ৩৪ হাজার ৩০১ ভোট। এখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে মাত্র ৩ জন (বিএনপি, জামায়াত ও একজন স্বতন্ত্র) তাঁদের জামানত রক্ষা করতে পেরেছেন। বাকি ৭ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন—ডা. ইয়াসির আরশাদ (স্বতন্ত্র), আনছার আলী (বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি), আব্দুল্লাহিল বাকী (ইসলামী আন্দোলন), মেহেদী হাসান (গণঅধিকার পরিষদ), মোয়াজ্জেম হোসেন (স্বতন্ত্র), সাহেদ আলী জিন্নাহ (জাতীয় পার্টি) এবং সেন্টু আলী (গণসংহতি আন্দোলন)।

নাটোর-২ (সদর-নলডাঙ্গা)

এই আসনে প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ৩ লাখ ৫ হাজার ৩৫০। জামানত ফিরে পেতে এখানে প্রয়োজন ছিল ৩৮ হাজার ১৬৯ ভোট। নির্বাচনে অংশ নেওয়া ৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪ জনই এই ন্যূনতম ভোট পেতে ব্যর্থ হয়ে জামানতের ৫০ হাজার টাকা হারিয়েছেন। জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন—নুরুন্নবী মৃধা (স্বতন্ত্র), তাহামিদা ইসলাম তানিয়া (গণসংহতি আন্দোলন), মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ) এবং রকিব উদ্দিন কমল (জাতীয় পার্টি)।

নাটোর-৩ (সিংড়া)

নাটোর-৩ আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৮১টি। জামানত রক্ষার জন্য ২৯ হাজার ১৯৮ ভোটের প্রয়োজন ছিল। প্রতিদ্বন্দ্বী ৬ প্রার্থীর মধ্যে ৪ জনই জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন- এস এম জারজিস কাদির (এনসিপি), আশিক ইকবাল (জাতীয় পার্টি), খলিলুর রহমান (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ) এবং দেলোয়ার হোসেন (স্বতন্ত্র)।

নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম)

এই আসনে প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ৩ লাখ ১৯ হাজার ১৪১। জামানত ফিরে পেতে প্রয়োজন ছিল ৩৯ হাজার ৮৯৩ ভোট। এখানে ৫ জন প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারিয়েছেন ৩ জন। জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন—এম ইউসুফ আহমদ (জাতীয় পার্টি), মো. এমদাদুল্লাহ (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ) এবং মোকসেদুল মোমিন (এবি পার্টি)।

প্রসঙ্গত, এবারের নির্বাচনে নাটোর জেলার ৪টি সংসদীয় আসনের সবকটিতেই জয়লাভ করেছে বিএনপি। নাটোর-১ আসনে ফারজানা শারমিন পুতুল, নাটোর-২ আসনে রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, নাটোর-৩ আসনে আনোয়ারুল ইসলাম আনু এবং নাটোর-৪ আসনে আব্দুল আজিজ বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

গুরুদাসপুরে নিখোঁজের এক সপ্তাহ পর মিলল লাশ

গুরুদাসপুরে সার পাচারের অভিযোগে দুই ডিলারকে শোকজ

আখের জমি থেকে বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগাজিন উদ্ধার

ঋণের চাপে কলেজশিক্ষকের আত্মহত্যার চেষ্টা, হাসপাতালে মৃত্যু

দখল না সরালে উচ্ছেদ, লালপুরের ব্যবসায়ীদের সতর্ক করল প্রশাসন

ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যায় সন্দেহভাজন ৭ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আবেদন

এমপিপুত্রের সারের ডিলার নিয়োগ বাতিল চেয়ে ডিসির কাছে আবেদন

চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে যুবকের মৃত্যু

গুরুদাসপুরে ৩০ বস্তা সার জব্দ

ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলায় এমপিপুত্র মিন্টু ফের ২ দিনের রিমান্ডে