হোম > সারা দেশ > নারায়ণগঞ্জ

সাত খুনের মামলার রায় দ্রুত কার্যকরের দাবিতে আইনজীবীদের মানববন্ধন

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের চাঞ্চল্যকর সাত খুনের মামলায় আসামিদের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকরের দাবিতে মানববন্ধন। আজ সোমবার সকালে নারায়ণগঞ্জ আদালতপাড়ায়। ছবি: আজকের পত্রিকা

নারায়ণগঞ্জের চাঞ্চল্যকর সাত খুনের মামলায় আসামিদের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকরের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন আইনজীবী ও নিহত ব্যক্তিদের স্বজনেরা। আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে নারায়ণগঞ্জ আদালতপাড়ায় এই মানববন্ধন করা হয়।

মানববন্ধনে সাত খুনের মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিন বক্তব্য দেন।

সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, ‘মামলাটি আপিল বিভাগে ঝুলে আছে। আমরা আইনমন্ত্রী ও অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁরা আশ্বাস দিয়েছেন, দ্রুত মামলাটি কার্যতালিকায় এনে নিষ্পত্তি করা হবে। সাত খুনের শিকার পরিবারগুলো মানবেতর জীবন যাপন করছে। যেহেতু একটি রাষ্ট্রীয় বাহিনী তাঁদের হত্যা করেছে, সরকারের কাছে দাবি থাকবে, তাঁদের যেন ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়।’

মানববন্ধনে সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আইনজীবীরা ঐক্যবদ্ধভাবে খুনিদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। তাঁরা ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে খুনিদের শাস্তি নিশ্চিত করতে ভূমিকা রেখেছেন। অতীতে গডফাদারদের প্রতি প্রশাসনের প্রোটেকশন (সুরক্ষা) ছিল, এখন আর সেই সুযোগ নেই। অপরাধী যে-ই হোক, তাঁকে শাস্তি পেতে হবে।

২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ আদালতে একটি মামলায় হাজিরা দিয়ে ফেরার সময় ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের ফতুল্লার লামাপাড়া এলাকা থেকে অপহৃত হন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের তখনকার প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকার, যুবলীগ নেতা মনিরুজ্জামান স্বপন, স্বপনের গাড়িচালক জাহাঙ্গীর, নজরুলের সহযোগী তাজুল ইসলাম, নজরুলের বন্ধু সিরাজুল ইসলাম লিটন ও চন্দন সরকারের গাড়িচালক ইব্রাহিম। নিখোঁজের তিন দিন পর শীতলক্ষ্যা নদীর শান্তিরচর এলাকা থেকে একে একে উদ্ধার করা হয় তাঁদের মরদেহ। ঘটনার পর নিহত নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি ও আইনজীবী চন্দন সরকারের জামাতা বিজয় কুমার পাল ফতুল্লা মডেল থানায় দুটি মামলা করেন। পরে দুটি মামলা একসঙ্গে তদন্ত করে পুলিশ। তদন্তের একপর্যায়ে আসামিদের কয়েকজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

হত্যাকাণ্ডের পরপরই প্রধান অভিযুক্ত সাবেক কাউন্সিলর নূর হোসেন দেশ ছেড়ে পালিয়ে ভারতে যান। পরে ২০১৪ সালের ১৪ জুন পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের হাতে দুই সহযোগীসহ গ্রেপ্তার হন নূর হোসেন। ২০১৫ সালের ১১ নভেম্বর তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। দুই মামলায় ২০১৭ সালের ১৬ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালত একসঙ্গে রায় দেন। রায়ে র‍্যাবের সাবেক ১৬ কর্মকর্তা, নারায়ণগঞ্জের সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর নূর হোসেন ও তাঁর অপরাধজগতের ৯ সহযোগীসহ মোট ২৬ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আদালত। এ ছাড়া র‍্যাবের আরও ৯ সাবেক কর্মকর্তাকে বিভিন্ন মেয়াদে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আসামিরা আপিল করলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এটি নিষ্পত্তি হয় হাইকোর্টে। ২০১৭ সালের ২২ আগস্ট রায় দেন হাইকোর্ট। ২০১৮ সালের ২০ নভেম্বর হাইকোর্টের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়। রায়ে ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়। অপর ১১ জনের মৃত্যুদণ্ড পরিবর্তন করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা বহাল থাকে।

জেল খাটতে কেমন লাগে—কৌতূহল মেটাতে শিশু হোসাইনকে খুন করে ৬ কিশোর

নারায়ণগঞ্জের টেক্সটাইল শিল্পপল্লি পরিদর্শনে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী

এসএসসি পরীক্ষার হলের সামনে বিএনপির দুই পক্ষের হাতাহাতি

সোনারগাঁয়ে ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা, সচিবসহ ১১ জনকে অব্যাহতি

দরপত্র জমা নিয়ে বিএনপির সঙ্গে জামায়াত-এনসিপির মারামারি

সোনারগাঁয়ে ভুল প্রশ্নপত্র দিয়ে পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগ, কেন্দ্রসচিবকে অব্যাহতি

শীতলক্ষ্যা নদীতে ভাসমান অজ্ঞাতনামা যুবকের মরদেহ উদ্ধার

ডিজেল সংকট, নারায়ণগঞ্জ শহর-বন্দরে নদী পারাপারে ট্রলার বন্ধের উপক্রম

ফেরিতে উঠতে গিয়ে শীতলক্ষ্যায় প্রাইভেট কার, উদ্ধার করলেন মাঝিরা

দুই বোনকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে এক ব্যক্তি আটক