ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের দূরত্ব ১২০ কিলোমিটার। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা প্রবণ এলাকা হচ্ছে কমপক্ষে ১৫টি। এসব এলাকায় সব সময় গাড়ির গতি সীমিত রাখার নির্দেশনা থাকলেও চালক তা না মানায় প্রায়ই ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা। এ ছাড়াও দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হচ্ছে মহাসড়কে বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল ও তিন চাকার অবৈধ যান অবাধে চলাচল।
দুর্ঘটনাপ্রবন এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের শিকারীকান্দা, চুরখাই বাজার সংলগ্ন বাংলাদেশ কমিউনিটি বেজড মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সীমানা, বইলর বাজারের পূর্বের অংশ, ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনের অংশ, কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইপাস মোড়, চেলের ঘাট, ভরাডোবা, ভালুকা ডিগ্রি কলেজের সামনের ইউটার্ন, ভালুকা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনের অংশ, সিডস্টোর, হোতারপাড়া, রাজেন্দ্রপুর সড়ক জনপথ পরিদর্শন বাংলোর সামনের অংশ।
পুলিশের তথ্য বলছে, গত এক বছরে ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের এসব এলাকায় ২৭০ টির মতো দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে কমপক্ষে ৩৫০ জনের মতো আহত ও ৭০ জনের মতো মানুষ মারা গেছেন।
শেরপুর থেকে ঢাকাগামী সোনার বাংলা পরিবহনের চালক সুলতান মিয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ময়মনসিংহ থেকে ঢাকার পথে বেশ কয়েকটি স্থানে দুর্ঘটনা ঘটে। ঈদ আসলে ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। কারণ ইউটার্নগুলোয় ট্রাফিক আইন না মেনে হুটহাট করে গাড়ি ঘোরানোর সময় দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। এ ছাড়া মহাসড়কে বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল ও তিন চাকার অবৈধ যান অবাধে চলাচল দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ।
ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা আজকের পত্রিকাকে বলেন, মহাসড়কে দুর্ঘটনা রোধে সড়কে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদসহ তিন চাকার যান বন্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ছাড়াও ঈদ উপলক্ষে যানজট নিয়ন্ত্রণসহ মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।