হোম > সারা দেশ > ময়মনসিংহ

জন্মদিন উদ্‌যাপনকে কেন্দ্র করে বাকৃবিতে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ

বাকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সদ্য বিলুপ্ত আশরাফুল হক হল ছাত্রলীগের সদস্যদের দুই গ্রুপ মারামারি করেছে। জন্মদিন উদ্‌যাপনকে কেন্দ্র করে শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে হলের ১২৩ নম্বর কক্ষের সামনে এই ঘটনা ঘটে। 

এ ঘটনায় হল শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সারোয়ার জাহান শাওন, আসিফ ইফতেখার ইফতি এবং বাকৃবি কেন্দ্রীয় শাখা ছাত্রলীগের সদস্য মোহাম্মদ উল্লাহ রনি আহত হন। শাওন ও ইফতিকে ময়মনসিংহ মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে শাওনের মাথায় দুই জায়গায় ছয়টি সেলাই ও ইফতির চোখের অবস্থা গুরুতর।
 
প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা জানায়, আশরাফুল হক হলের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী হৃদয়ের জন্মদিন উদ্‌যাপন উপলক্ষে প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের ডাকা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। এ ঘটনা ৩ জন আহত হয়। 

আহত সারোয়ার জাহান শাওন বলেন, ‘হলের এক ছোট ভাইয়ের জন্মদিন ছিল। আমরা ৫-৬ জন সিনিয়র মিলে জন্মদিন পালন করার জন্য প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ডেকেছিলাম। কিন্তু জুনিয়ররা এসে আমাদের সঙ্গে জন্মদিন পালনে অংশগ্রহণ করবে না বলে, কথা-কাটাকাটি করছিল। সে সময় তাঁরা উগ্র হয়ে থেকে থেকেই আমাদের ওপর চড়াও হচ্ছিল। তখন আমরা সিনিয়ররাই ওদের ফেরানোর চেষ্টা করছিলাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘এর মধ্যে কয়েকজন জুনিয়র, ১২১ নম্বর রুমে যায়। সেখানে দেশি বিদেশি অস্ত্র রাখা ছিল। এ সময় আজহারুল ইসলাম (সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক), মেহেদি, তামিম মাহমুদ আকাশ (সাবেক পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক) লাঠি আর চেইন হুইপ নিয়ে তেড়ে আসে এবং আমার মাথায় আঘাত করা হয়। আঘাত লাগার আগে চেইনটা আকাশের হাতে ছিল।’

অভিযুক্ত বাকৃবি শাখা ছাত্রলীগের (সাবেক পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক) তামিম মাহমুদ আকাশ বলেন, ‘আমাকে একা দোষারোপ করলে হবে না। সেখানে সবাই ছিল। তারা আমার লেভেলের ইফতির গায়ে হাত দেওয়ার পর আমরা স্বাভাবিকভাবে তো বসে থাকব না। পরে মারামারি হয়েছে।’

অন্যদিকে ইফতি বলেন, ‘হৃদয়ের জন্মদিন উদ্‌যাপনের জন্য ১ম বর্ষ এবং ২য় বর্ষের শিক্ষার্থীদের ডাকলে তারা যেতে অস্বীকৃতি জানালেও জোর করে তাদের গেস্টরুমে আটকে রাখা হয়। আমরা সেখানে তাদের মুক্ত করতে যাই। এরপর সেখানে কথা-কাটাকাটি ও একপর্যায়ে বিষয়টি হাতাহাতি শুরু হয়। এ সময় কেউ একজন আমার চোখে আঘাত করলে আমি আহত হই। কিন্তু কে আঘাত করেছে তা বুঝতে পারিনি। তবে সেখানে শাওন, রনি ও এ. কে. সৌরভ ভাই ছিল।’

আশরাফুল হক হল শাখা  ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. আসাদুজ্জামান (পিয়াল) বলেন, ‘যারা জুনিয়রদের থ্রেট দিয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করে এমন কাউকে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। তারা অন্য হলের কাছে হল ইজারা দেয় এইগুলো তো মেনে নেওয়া যায় না। আমরা চাই, হলের মধ্যে একটা সুন্দর, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ থাকুক। কিন্তু তারা যদি না মানতে চায়, তা মেনে নেওয়া যায় না। গতকাল তারা যখন ছেলেদের চাপ দেয় তখন জুনিয়ররা সিনিয়রদের ওপর চড়াও হয়েছিল। পরে আমি গিয়ে মিউচুয়াল করে দিয়ে এসেছি। পরিস্থিতি সামাল দিয়ে ছেলেদেরকে সরিয়ে দিয়েছি। এরপর তারা আবার মারামারিতে জড়ায়।’

নান্দাইলে গাছের নিচে চাপা পড়ে শিশুর মৃত্যু

ময়মনসিংহে দিপু চন্দ্র হত্যা: লাশ পোড়ানোর নির্দেশদাতা গ্রেপ্তার

ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী কিশোর নিহত

ত্রিশালে এমপি হতে চাওয়া সেই ভিক্ষুকের মনোনয়ন বাতিল

ময়মনসিংহে বিএনপির লিটনসহ আরও ১১ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

রাতের খাবার খেতে গিয়ে স্থানীয়দের হামলার শিকার বাকৃবির ৫ শিক্ষার্থী

মাইক্রোবাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, অটোচালকসহ দগ্ধ ৩

দীপু দাস হত্যা: নিথর দেহ গাছে ঝোলানোর ‘মূল হোতা’ গ্রেপ্তার

গফরগাঁওয়ে মনোনয়ন দ্বন্দ্বে নাশকতা, তিন শতাধিক আসামি করে দুই মামলা

ভালুকায় সহকর্মীর গুলিতে আনসার সদস্য নিহত, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার