প্রতিদিন বিকেল নামতেই মাঠে অনুশীলন শুরু করেন নারী ফুটবল দলের সদস্যরা। সন্ধ্যা পর্যন্ত দল বেঁধে চলতে থাকে এ অনুশীলন। গাইবান্ধার পলাশবাড়ী সরকারি কলেজ কিংবা এসএম পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের প্রতিদিনের চিত্র এটি। ভবিষ্যতে পলাশবাড়ী থেকে অনেক প্রতিভাবান নারী ফুটবলার উঠে আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।
গাইবান্ধা পলাশবাড়ী নারী ফুটবল দলের প্রশিক্ষক সুরুজ হক লিটন বলেন, ‘পলাশবাড়ী নারী ফুটবল দলকে নিয়ে আমার অনেক স্বপ্ন। নিজের সবটুকু উজাড় করে দিয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। মেয়েদের চেষ্টা, অক্লান্ত পরিশ্রম আর বুদ্ধিমত্তায় একের পর এক সাফল্য ধরা দিচ্ছে।’
প্রতিবন্ধকতার বিষয় নিয়ে জানতে চাইলে সুরুজ হক লিটন বলেন, ‘শুরুর দিকে মাত্র তিনজন খেলোয়ারকে নিয়ে প্রশিক্ষণ করতে হয়েছে। নারীদের ফুটবল খেলা ও প্রশিক্ষণ নিয়ে অভিভাবকরা উৎসাহী ছিলেন না। শিক্ষকদের নিয়ে অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে মেয়েদের মাঠে নামাতে অনেক বেগ পেতে হয়েছে। বাল্যবিয়ের একটা প্রকোপ ছিল। সব প্রতিবন্ধকতার মধ্য দিয়েই আমাদের পথচলা।’