ময়মনসিংহের নান্দাইলে এক কলেজছাত্রীকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক গড়ার পর তাঁকে দলবেঁধে ধর্ষণ করার অভিযোগে তাঁর কথিত প্রেমিকসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের চামারুল্লাহ গ্রামের মো. আলীউর (৩০) ও একই এলাকার হারেস উদ্দিন (২০)।
গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় ময়মনসিংহের মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক তাইজুল ইসলাম সোহাগ তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বলে নান্দাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান আকন্দ জানান।
ওসি মিজানুর আজকের পত্রিকাকে বলেন, গত বৃহস্পতিবার কলেজছাত্রী বাদী হয়ে চারজনের নামে মামলা করেছেন। এর মধ্যে প্রেমিকসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২২ সালে ফেসবুকে কলেজছাত্রীর পরিচয় হয় আলীউরের সঙ্গে। দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের আশ্বাসে আলীউর একাধিকবার ওই ছাত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক হয়। গত বছরের আগস্টে মায়ের সঙ্গে দেখা করানোর কথা বলে ওই ছাত্রীকে নান্দাইল পৌর সদরের এক নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করেন। পরে তাঁর তিন বন্ধু ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন। পরে ধর্ষণের ঘটনা কাউকে জানালে হত্যার হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গত বছরের ১৭ আগস্ট বিয়ের দাবিতে আলীউরের বাড়িতে গেলে তিনি পালিয়ে যান। আলীউর তাঁর সঙ্গে পরে যোগাযোগ করবেন বলে তাঁর পরিবার ও আত্মীয়স্বজনেরা ওই ছাত্রীকে আশ্বস্ত করেন। ওই ছাত্রী ৩০ আগস্ট আবারও বিয়ের দাবিতে অবস্থান নেন। পরে সালিসের মাধ্যমে তাঁকে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দেন আলীউর। পাঁচ মাস পার হলেও বিয়ে করেননি।