শেরপুরে কলেজছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় প্রধান আসামি প্রভাষক জোবায়ের হোসেনকে (২৮) চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নকলার চৌধুরী ছবরুন্নেছা মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. আব্দুল খালেক।
তিনি জানান, ঘটনার বিষয়ে কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. মোমিনুর রশীদের সঙ্গে আলোচনা করে ওই শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত হলে পরবর্তীতে তার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
অন্যদিকে একই মামলায় গ্রেপ্তারকৃত অপর আসামি বাড়ির মালিক লুৎফর রহমানকে (৩৫) একদিন জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছে আদালত। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. বন্দে আলী মিয়ার পাঁচ দিনের পুলিশ রিমান্ডের আবেদনের বিষয়ে সোমবার দুপুরে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আলমগীর আল মামুন এ আদেশ দেন।
উল্লেখ্য, একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীকে চৌধুরী ছবরুন্নেছা মহিলা ডিগ্রি কলেজের আইসিটি বিষয়ের প্রভাষক জোবায়ের হোসেন গত ৩০ মার্চ বুধবার সন্ধ্যায় শেরপুর শহরের মধ্য গৌরীপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় নিয়ে প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে বাসার মালিক লুৎফর রহমান ও তাঁর বন্ধু আবু রাহাত তাদের কক্ষে প্রবেশ করে এবং ঘটনা দেখে ফেলাসহ তা ভিডিওতে ধারণের কথা বলে ওই ছাত্রীকে জোরপূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় কলেজছাত্রী নিজেই বাদী হয়ে শিক্ষক জোবায়ের, বাসার মালিক লুৎফর রহমান ও তাঁর বন্ধু আবু রাহাতকে আসামি করে সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে কলেজশিক্ষক ও বাসার মালিককে গ্রেপ্তার করে। তবে এখনো পলাতক রয়েছে অপর আসামি আবু রাহাত।