শেরপুরের নালিতাবাড়ীর একটি মাদ্রাসায় কোরআন পোড়ানোর ঘটনা ঘটেছে। গত বুধবার রাতের ওই ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে থানায় মামলা করা হয়। আজ শুক্রবার তাঁদের গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন রূপনারায়ণকুড়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা জাহিদুল হক (৩৪), সাবেক শিবির নেতা আব্দুল্লাহ বাদশা (৫০), রূপনারায়ণকুড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আজিজুর রহমান (৫০), শহর জামায়াতের আমির আইয়ুব আলী (৪৫), রূপনারায়ণকুড়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক সোহেল রানা (৩৯), ছাত্রদল কর্মী রেজাউল করিম (২৬) ও মাসুম পারভেজ (২১)।
বিএনপির নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নালিতাবাড়ী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নুরুল আমীন আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ২০ বছর আগে স্থানীয় দুই ব্যক্তির দেওয়া পাঁচ শতক জমিতে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। মাদ্রাসার মক্তবে একজন শিক্ষক অর্ধশত ছেলে-মেয়েকে সকালে কোরআন শিক্ষা দেন। গত বুধবার রাতে মাদ্রাসার অন্তত ৩০টি কোরআন শরিফ পুড়িয়ে ফেলে দুর্বৃত্তরা। পরদিন ফজরের নামাজ আদায় করতে গিয়ে স্থানীয় মুসল্লিরা বিষয়টি দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক বলেন, কোরআন পোড়ানো ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির মামলায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা বিএনপি-জামায়াতের লোক কি না জানতে চাইলে ওসি বলেন, এ বিষয়ে তাঁর কিছু জানা নেই।