হোম > সারা দেশ > ময়মনসিংহ

ত্রিশালে দুই মাসেও সন্ধান মেলেনি নিখোঁজ মাদ্রাসাছাত্রের

প্রতিনিধি, ত্রিশাল

নিখোঁজের দুই মাস পেরিয়ে গেলেও সন্ধান পাওয়া যায়নি ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার বালিপাড়া ইউনিয়নের বায়তুল ফালাহ্ হাফেজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র মো. রামিনের (১২)। রামিনের পরিবার আত্মীয়স্বজনের বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে খবর নিয়েও তার সন্ধান পায়নি। এ ঘটনায় রামিনের বাবা নিজাম উদ্দিন ৭ জুন ত্রিশাল থানায় জিডি করলেও এখন পর্যন্ত কোনো সন্ধান দিতে পারেনি পুলিশ।
 
পরিবার ও জিডি সূত্রে জানা যায়, নিখোঁজ রামিন ত্রিশালের চরমাদাখালী গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে। রামিন বালিপাড়ায় তার মাদ্রাসার পাশের সিরাজউদ্দিন নামের একজনের বাড়িতে জায়গির থেকে হেফজ শাখায় পড়ালেখা করত। গত ২৭ মে সকালে মাদ্রাসা থেকে নিখোঁজ হয় সে।

ঘটনার এক দিন পর ওই মাদ্রাসার হাফেজ ইউনুস আলী ফোন করে রামিন নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি তার বাবা নিজাম উদ্দিনকে জানান। এর পর থেকে তাঁকে খোঁজা হচ্ছে।

রামিনের বাবা নিজাম উদ্দিন বলেন, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, টঙ্গী, জামালপুর, ইসলামপুরসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় খুঁজেও তার কোনো সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি। ছেলের চিন্তায় তার মা এখন শয্যাশায়ী। পুলিশ জানিয়েছে, রামিনকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

মাদ্রাসাটির হেফজ শাখার শিক্ষক হাফেজ মো. ইউনুস আলীর মুঠোফোনে অসংখ্যবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি। 

এ বিষয়ে ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাইন উদ্দিন বলেন, ‘দেশের সব থানায় বার্তা পাঠানো হয়েছে। ওই ছাত্রকে উদ্ধারের জন্য আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি।’ একই সঙ্গে তার পরিবারের লোকজনও বিভিন্ন উপায়ে খোঁজাখুঁজি করছে বলে জানান তিনি।

ভালুকায় অটোরিকশার ধাক্কায় কৃষক নিহত

ময়মনসিংহে ল্যাম্পপোস্ট চুরি করতে গিয়ে দুই যুবকের মৃত্যু

প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গণভোটের পক্ষে কাজ করতে পারবেন: আলী রীয়াজ

সড়কের পাশে ছুড়ে ফেলা কার্টন থেকে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার

শেরপুরে বাবার হাতে শিশুকন্যা নিহত, আরেক সন্তান আহত

পৌর ছাত্রদলের কমিটি বাতিলের দাবিতে জামালপুরে রেলপথ অবরোধ

ছেলেকে বিদেশে পাঠাতে সর্বস্ব হারিয়ে পথে পথে চা বিক্রি করছেন মা

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে আগুন, হুড়োহুড়িতে বেশ কয়েকজন আহত

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে, রোগী ও স্বজনদের স্বস্তি

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আগুন, রোগীদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে