হোম > সারা দেশ > খুলনা

বাগেরহাটে দুর্ঘটনা

স্বামীর বাড়িতে যাওয়া হলো না নববধূর, দুজন চিরনিদ্রায় দুই গ্রামে

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা 

মোংলা উপজেলা পরিষদ মাঠে নিহত আব্দুর রাজ্জাকসহ তাঁর পরিবারের ৯ সদস্যের জানাজা হয়। ছবি: আজকের পত্রিকা

বাগেরহাটের রামপালে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে প্রাণ হারানো বর আহাদুর রহমান সাব্বির ও কনে মার্জিয়া আক্তার মিতুকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়েছে। তবে একসঙ্গে নয়, সাব্বিরকে বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার শলোবুনিয়া গ্রামে এবং মিতুকে খুলনার কয়রা উপজেলার নাকশা গ্রামে।

আজ শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকালে কয়রার নাকশা গ্রামে নিজ বাড়িতে নববধূ মার্জিয়া আক্তার মিতুর জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়। শুধু মিতু নন, তাঁর সঙ্গে প্রাণ হারানো ছোট বোন লামিয়া আক্তার ও দাদি রাশিদা বেগমকেও শেষ বিদায় জানান স্বজনেরা। সকাল সাড়ে ৯টায় নাকশা গ্রামের বাড়ির পাশে মাঠে তাঁদের জানাজা হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে রামপালে সড়ক দুর্ঘটনায় ১৪ জন নিহত হওয়ার পর পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই রাতে লাশ হস্তান্তর করা হয়। এর মধ্যে নববধূ মিতু, তাঁর বোন লামিয়া ও দাদি রাশিদার লাশ কয়রার নাকশা গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। একই ঘটনায় মারা যাওয়া মিতুর নানি আনোয়ারা বেগমের লাশ তাঁর গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তাঁকে সেখানে জানাজা শেষে দাফন করা হয়।

অপরদিকে পরিবারের ৯ সদস্যের সঙ্গে বর সাব্বিরকে পাশাপাশি দাফন করা হয়েছে মোংলার শলোবুনিয়া গ্রামে। বাদ জুমা জানাজা শেষে তাঁদের দাফন করা হয়। সাব্বির ছাড়াও একই সঙ্গে চিরবিদায় জানানো হয়েছে তাঁর বাবা আব্দুর রাজ্জাক, ভাই আব্দুল্লাহ সানি, বোন উম্মে সুমাইয়া ঐশী, তাঁর ছেলে সামিউল ইসলাম ফাহিম, বড় ভাই আশরাফুল আলম জনির স্ত্রী ফারহানা সিদ্দিকা পুতুল, তাঁদের ছেলে আলিফ, আরফা, ইরামকে।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার রাতে খুলনার কয়রা উপজেলার আমাদী ইউনিয়নের নাকশা গ্রামের বাসিন্দা আবদুস সালাম মোড়লের মেয়ে মার্জিয়া আক্তার মিতুর সঙ্গে বিয়ে হয় মোংলা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাকের ছোট ছেলে আহাদুর রহমান সাব্বিরের। কনের বাড়িতে বিয়ের পর বৃহস্পতিবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে তাঁরা কয়রা থেকে মোংলায় স্বামী বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। বর-কনেসহ দুই পরিবারের ১৪ জন ওঠেন মাইক্রোবাসে। তাঁদের বহনকারী মাইক্রোবাসটি মোংলার কাছাকাছি রামপাল উপজেলার বেলাই ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক দিয়ে আসা নৌবাহিনীর স্টাফ বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসের চালকসহ ১৪ জনের মৃত্যু হয়। দুই পরিবারের ১৩ ছাড়াও মাইক্রোবাসের চালক নাঈম প্রাণ হারান। আহত অবস্থায় একজন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

আরও পড়ুন:

যশোরে মোটরসাইকেলে ঘুরতে বেরিয়ে প্রাণ গেল দুই বন্ধুর

জামায়াতের দুই কর্মীর মধ্যে মারামারি, অফিস ভাঙচুর

সুন্দরবনে ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

খুলনায় বাসা থেকে নানি ও নাতির লাশ উদ্ধার

কেসিসি পরিচালিত পশুর হাট থেকে সোয়া ২ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়

খুলনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় উদ্‌যাপন হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা

দুই পক্ষের অন্তর্দ্বন্দ্বে যুবক গুলিবিদ্ধ

গরু নিয়ে হাটে যাওয়ার পথে নছিমন উল্টে ব্যবসায়ীর মৃত্যু, আহত ৩

অগ্নিদগ্ধের প্রাথমিক চিকিৎসা জানা নেই ৬০% মানুষের

দুর্বৃত্তের ছোড়া গুলিতে বৃদ্ধা আহত