হোম > সারা দেশ > খুলনা

মাজরা পোকার আক্রমণে বিপাকে ধানচাষিরা, কৃষি কর্মকর্তাদের উদাসীনতায় ক্ষোভ বাড়ছে

রাকিবুল ইসলাম, গাংনী (মেহেরপুর) 

মাজরা পোকায় খেয়েছে ধান। তা ই দেখাচ্ছেন চাষী। শুক্রবার উপজেলার তেরাইল-ভরাট মাঠ থেকে তোলা। ছবি: আজকের পত্রিকা

চলতি বোরো মৌসুমে মাজরা পোকার আক্রমণে ধান চাষে চরম সমস্যায় পড়েছেন স্থানীয় চাষিরা। বিভিন্ন কোম্পানির কীটনাশক ব্যবহার করেও এর কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি। ধানের শিষ কেটে যাওয়ায় চাষিরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন। যেখানে বিঘাপ্রতি প্রায় ২০ মণ ধানের ফলন হওয়ার কথা ছিল, সেখানে এবার ফলন কমপক্ষে ৫ থেকে ৬ মণ কমে যাবে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।

কিন্তু চাষিরা অভিযোগ করেছেন, এত বড় ক্ষতির পরও কৃষি অফিসের কোনো কর্মকর্তা মাঠে গিয়ে পরিস্থিতি যাচাই বা চাষিদের সঙ্গে কথা বলেননি। এ নিয়ে চাষিরা গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

স্থানীয় চাষিরা জানান, বিভিন্ন সময়ে তারা নিজেদের মতো বিভিন্ন কীটনাশক ব্যবহার করেন, কারণ কৃষি অফিস থেকে কোনো পরামর্শ বা সহায়তা পান না। অনেক ফসল নষ্ট হওয়ার পরও কৃষি কর্মকর্তাদের চোখে পড়ে না। চাষিরা দাবি করেছেন, কৃষি অফিস শুধু কয়েকজন চাষির জন্য নয়, সবার জন্য কাজ করুক।

উপজেলার তেরাইল দুর্লোভপুর এলাকার বজলুর রহমান বলেন, ‘মাজরা পোকায় ধান কেটে যাওয়ায় আমাদের ফলন অনেক কমে যাবে, যা বড় ক্ষতির কারণ। কিন্তু কৃষি অফিসের কেউ মাঠে আসে না। আমরা এমন কর্মকর্তা চাই, যিনি কৃষকের পাশে দাঁড়াবেন।’

তেরাইল বিলপাড়া গ্রামের আব্দুল খালেক বলেন, ‘কৃষি অফিসাররা চাষিদের খোঁজখবর নেন না। তাদের দুর্ব্যবহারে ভুগতে হয়। আমরা চাই এমন কর্মকর্তা, যিনি সব সময় কৃষকের পাশে থাকবেন।’

মো. দিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘বিভিন্ন কীটনাশক ব্যবহার করেও মাকড় পোকার প্রতিকার পাইনি। কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা যদি মাঠে এসে পরামর্শ দেন, তাহলে অনেক সুবিধা হবে।’

তেরাইল এলাকার চাষি মিল্টন হোসেন বলেন, ‘কৃষি অফিসাররা বড়দের কথাই শোনেন, আমাদের মতো গরিব কৃষকের কথা কেউ শোনে না।’

দেবীপুর গ্রামের শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘কৃষি অফিস যদি গ্রাম পর্যায়ে চাষিদের নিয়ে সভা-সমাবেশ করে পরামর্শ দেয়, তাহলে উপকার হতো। তারা নির্দিষ্ট কিছু চাষির সঙ্গে বেশি যোগাযোগ রাখে।’

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শিমুল হোসেন বলেন, ‘আমি নতুন এসেছি। মাঠ পরিদর্শন করে মাজরা পোকার আক্রমণ থেকে ধান রক্ষায় চাষিদের সার্বিক পরামর্শ দেব।’

অন্যদিকে, গাংনী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন অভিযোগের বিষয়ে বলেন, ‘অনেক সময় উপসহকারী কর্মকর্তারা মাঠে গিয়ে চাষিদের পান না। তবে কৃষকের সমস্যা জানতে পারলে আমরা সেখানে যাব।’

বাবার সঙ্গে মার্কেটে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন খুবি শিক্ষার্থী, খুবি ভিসির শোক

প্রাইভেট কারের ধাক্কায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নিহত

খুলনায় ইজিবাইকের ধাক্কায় প্রাণ গেল নারীর

খুলনায় জ্বালানি তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে পেট্রলপাম্পে হাতাহাতি

কুমিরে আক্রমণে নিহত সুব্রতের স্ত্রী চান না, তাঁর একমাত্র সন্তান বাপ-দাদার পেশায় আসুক

খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মাসুম, সম্পাদক নান্নু

ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়েমুচড়ে গেল প্রাইভেট কার

খুলনায় শাবলের আঘাতে স্ত্রী নিহত, স্বামী গ্রেপ্তার

খুলনা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন কাল

খুলনায় ছিনতাইকারীর লক্ষ্যভ্রষ্ট গুলিতে আরেক ছিনতাইকারী নিহত