সুন্দরবনে অপহৃত ১৪ জেলেকে উদ্ধার করেছে র্যাব। এ সময় বাগেরহাটের মোংলা ও খুলনার দাকোপ উপজেলা থেকে পাঁচ বনদস্যুকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে মুক্তিপণ বাবদ আদায় করা নগদ ৪০ হাজার টাকা ও পাঁচটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
আজ সোমবার দুপুরে র্যাব-৬ খুলনার সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) তারেক আনাম বান্না প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান।
গ্রেপ্তাররা হলেন—দাকোপ উপজেলার সঞ্জয় বাইন (৩৪), মো. গাউস (৩০), মঞ্জুআরা বেগম ময়না (৩৪), মো. আল আমিন হাওলাদার (২৮) ও বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার রবিউল হাওলাদার (৩৩)।
র্যাব জানায়, ২৩ জুলাই সুন্দরবনের ভদ্রা নদীর টগিবগী খাল এলাকায় মাছ ধরছিলেন কয়েকজন জেলে। এ সময় আগে থেকে ওত পেতে থাকা বনদস্যুরা অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে মারধর করে থেকে ১৪ জেলেকে অপহরণ করে। পরে গহিন সুন্দরবনের নিয়ে যায়। মুঠোফোনে ওই জেলেদের পরিবারের কাছে ২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। টাকা না দিলে জেলেদের খুন করে লাশ গুম করবে বলেও হুমকি দেয়। মৃত্যুর ভয়ে জেলেদের পরিবারের লোকজন টাকা দিতে রাজি হয়।
দস্যুদের দেওয়া বিকাশ নম্বরে জেলে পরিবার থেকে ৭০ হাজার টাকা পাঠানো হয়। বিষয়টি র্যাবকে জানালে শুক্রবার রাতে খুলনার দাকোপ ও বাগেরহাটের মোংলা থেকে এই দস্যুদের গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-৬ খুলনার সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) তারেক আনাম বান্না বলেন, এ ঘটনায় পাঁচ বনদস্যুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপহৃত ১৪ জেলেকেও উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে দাকোপ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে জেলেরা দাকোপ থানার মাধ্যমে পরিবারের কাছে ফিরেছেন। এ ছাড়া মুক্তিপণ বাবদ আদায় করা ৭০ হাজার টাকার মধ্যে ৪০ হাজার টাকা ও পাঁচটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।