হোম > সারা দেশ > খুলনা

খুলনা ওয়াসায় রেজাউল ইসলামের পিডির দায়িত্ব বাতিল, তবু শঙ্কা কাটেনি

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা 

প্রকৌশলী মো. রেজাউল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

অবশেষে খুলনা ওয়াসার আলোচিত প্রকৌশলী মো. রেজাউল ইসলামের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) হিসেবে রুটিন দায়িত্ব বাতিল করা হয়েছে। ২৬ এপ্রিল স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিকল্পনা-৩ শাখার উপসচিব স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ তথ্য জানা যায়।

তাঁর এই দায়িত্ব বাতিল হওয়ায় খুলনা ওয়াসায় স্বস্তি ফিরলেও শঙ্কা পুরোপুরি কাটেনি। সংশ্লিষ্টদের দাবি, রেজাউল ইসলাম পুনরায় পিডি হওয়ার জন্য তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন—এমন গুঞ্জন সংস্থাটির ভেতরে ছড়িয়ে পড়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ ঘরানার এই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠলেও রহস্যজনক কারণে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং তাঁকে পুরস্কারস্বরূপ খুলনা ওয়াসার প্রায় ২ হাজার ৫৯৮ কোটি টাকার ‘খুলনা পানি সরবরাহ প্রকল্প (ফেজ-২)’-এর পিডি হিসেবে রুটিন দায়িত্ব দেওয়া হয়।

জানা যায়, অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার পদত্যাগের শেষ সময়ে তড়িঘড়ি করে এ নিয়োগ দেওয়া হয়। এ নিয়োগের নেপথ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক নুসরাত তাবাসসুম ও খুলনা ওয়াসার ছাত্র প্রতিনিধি ইব্রাহিম খলিলের ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

সূত্র জানায়, মো. রেজাউল ইসলাম অতীতে বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের ব্যানারে নির্বাচন করেছেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর তিনি প্রকল্প পরিচালক পদ পেতে বিভিন্ন মহলে তদবির শুরু করেন। একপর্যায়ে গত বছরের ১১ ডিসেম্বর মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা-৩ শাখা থেকে উপসচিব ইবাদাত হোসেনের স্বাক্ষরিত পত্রে তাঁকে পিডির রুটিন দায়িত্ব দেওয়া হয়।

অভিযোগ রয়েছে, খুলনা ওয়াসার বর্তমান দুই বোর্ড সদস্য তাঁর পক্ষে তদবির করেন। বিশেষ করে বোর্ড সদস্য ইব্রাহিম খলিল অনৈতিক সুবিধা নিয়ে লিয়াজোঁ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। যদিও তিনি এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ওই সময় নুসরাত তাবাসসুম খুলনায় এসে সরাসরি ফাইল প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখেন এবং অনলাইনের মাধ্যমে নিয়োগটি নিশ্চিত করা হয়। এ ঘটনায় তখন একটি জাতীয় দৈনিকে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়।

মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, প্রকল্পটির জন্য কোনো পিডি না থাকায় রুটিন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তবে শুরুতেই একজনকে রুটিন দায়িত্ব দিয়ে এগিয়ে রাখা অস্বাভাবিক। তিনি বলেন, এ ধরনের প্রকল্পের পিডি সাধারণত চতুর্থ গ্রেডের কর্মকর্তা হন, কিন্তু ষষ্ঠ গ্রেডের একজন প্রকৌশলীকে এ দায়িত্ব দেওয়া রহস্যজনক।

এদিকে দায়িত্ব বাতিল হলেও রেজাউল ইসলাম পূর্ণাঙ্গ প্রকল্প পরিচালক হওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। তিনি দাবি করছেন, শিগগিরই পরিচালক পদে নিয়োগ পেতে পারেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, বড় দাতা সংস্থার প্রকল্প পরিচালনার পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা না থাকায় তাঁকে পিডি করা হলে প্রকল্পটি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে খুলনা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. কামরুজ্জামান বলেন, রেজাউল ইসলামের পিডি হিসেবে রুটিন দায়িত্ব বাতিল করা হয়েছে।

সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গুলি: অজ্ঞাত দুজনের বিরুদ্ধে পুলিশের মামলা

খুলনায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

খুলনায় জোড়া হত্যা মামলায় ৮ জনের যাবজ্জীবন

খুলনা ওয়াসার নতুন চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামানের যোগদান

খুলনায় গভীর রাতে সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গুলি

খুলনায় সড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, তীব্র যানজট

সুন্দরবনের ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধানসহ ২৭ ডাকাতের আত্মসমর্পণ

টানা বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে কুয়েট ক্যাম্পাসসংলগ্ন ৪ সরকারি প্রতিষ্ঠান, দাপ্তরিক কার্যক্রম ব্যাহত

নিজ রাজ্যে ফিরল সেই বাঘিনী, থাকবে বন বিভাগের নিবিড় পর্যবেক্ষণে

মা-বাবার মারধর, কিশোরীর বস্তাবন্দী লাশ মোটরসাইকেলে করে ফেলে আসেন বাবা: পুলিশ