বাগেরহাটের মোংলার দত্তেরমেঠ এলাকায় নিজ বাড়িতে গাছের সঙ্গে গলায় দড়ি দিয়ে ‘আত্মহত্যা’ করেছেন স্থানীয় এক ঘেরমালিক। আজ শুক্রবার ভোরে গাছে লাশ ঝুলতে দেখে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে তাঁর পরিবার। লাশের সুরতহাল সম্পন্ন করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে মোংলা থানা-পুলিশ।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মিঠাখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব দত্তেরমেঠ গ্রামের বাসিন্দা সুধীর মুখার্জির ছোট ছেলে গোপাল মুখার্জি (৪০) গতকাল বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটায়র দিকে টাটিবুনিয়ার স্কুলের সামনের এখলাছের দোকানে চা ও সিগারেট পান করেন। এরপর বাড়িতে ফিরে রাতের যেকোনো একসময়ে ঘরের পশ্চিম পাশের মেহগনিগাছে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন।
আজ ভোর ৬টার দিকে পরিবারের লোকজন গাছে লাশ ঝুলতে দেখে চিৎকার করেন। এতে লোকজন জড়ো হলে পরে লাশটি নামিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন তাঁরা। এরপর হাসপাতাল থেকে পুলিশকে ফোন করা হলে মোংলা থানার উপপরিদর্শক বাহারুল ইসলাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান। সেখানে গিয়ে লাশের সুরতহাল সম্পন্ন করে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
উপপরিদর্শক বাহারুল জানান, প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা মনে হলেও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার আগ পর্যন্ত নিশ্চিত করে বলা যাবে না মৃত্যুর আসন কারণ কী। তবে কেন, কী কারণে এ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে, পরিবারের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি পুলিশকে।
গোপাল মুখার্জি পরিবারের চার ভাইবোনের মধ্যে সবার ছোট এবং অবিবাহিত ছিলেন। পেশায় ছিলেন চিংড়ি ঘেরমালিক। স্বভাবে বিনয়ী, ভদ্র ও শান্ত এবং মিশুকপ্রকৃতির গোপালের এ মৃত্যুর কোনো কারণই খুঁজে পাচ্ছেন না পরিবার ও তাঁর এলাকার লোকজন।