ঝিনাইদহ শহরে আরিফুল ইসলাম মানিক (৪৫) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এদিকে নিহতের স্ত্রীর অভিযোগ, জমি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে তাঁর স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে।
নিহত মানিক ওই এলাকার মৃত আব্দুল মালেকের ছেলে।
নিহতের স্ত্রী হুমাইরা সুলতানা বলেন, ‘আমার স্বামী মানিকের সঙ্গে তার দুই ভাই সাইফুল ইসলাম ও সাদ্দাম হোসেনের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। বিভিন্ন সময়ে ভাইদের মধ্যে ঝগড়া হতো। আমার স্বামীকে অন্য ভাইয়েরা মারধরও করত। এসব ঝামেলায় আমাকেও ১৫ দিন বাড়ি থেকে তারা বের করে দেয়। এ কারণে পাগলাকানাই এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতাম আমরা।’
হুমাইরা সুলতানা আরও বলেন, ‘গতকাল দুপুরে আমার স্বামী তাঁর বাবার বাড়িতে যায়। বিকেলে তার ভাইয়েরা মারধর করে। পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে আমাকে সাইফুল কল দিয়ে জানায় মানিক বারান্দার গ্রিলের সঙ্গে আটকে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। আমি পৌঁছানোর আগেই তারা হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মানিককে মৃত ঘোষণা করেন।’
‘ওরা আমার স্বামীকে মেরে বারান্দার গ্রিলের সঙ্গে আটকে রেখেছিল। কারণ তার মাথা ছিল গ্রিলের বাইরে আর দেহ ছিল ভেতরে। আমি ওদের শাস্তি চাই।’ যুক্ত করেন হুমাইরা সুলতানা।
এদিকে নিহতের স্বজনেরা জানান, বাড়ির সম্পত্তি নিয়ে ভাইদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। শনিবার বিকেলেও তাঁদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। তবে কী কারণে মানিকের মৃত্যু হয়েছে তা জানা নেই।
ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ সোহেল রানা বলেন, মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে ময়নাতদন্ত করা হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।