জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার মামলায় স্বামী আলাল সেককে (৫০) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আব্দুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আলাল সেক উপজেলার রহিমপুর গ্রামের মজর উদ্দিনের ছেলে। তবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে পলাতক রয়েছেন।
আদালতের মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সালের ২৬ মে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর গ্রামের আলাল সেক যৌতুকের দাবিতে তাঁর স্ত্রী নাইফুল বেগমকে মারধরের পর আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করেন। এ ঘটনায় নিহত নাইফুলের বাবা আব্দুল খালেক বাদী হয়ে দেওয়ানগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নিয়ে আদালত তাঁকে মৃত্যুদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন।
এদিকে একই দিনে দেওয়ানগঞ্জের এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের মামলায় রাজিব হোসেন (২৮) নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত রাজিব হোসেন উপজেলার বাঘারচর গ্রামের জসিজল হকের ছেলে।
জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ফজলুল হক বলেন, যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে আলাল সেককে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া অপর এক মামলায় একজনকে যাবজ্জাবীন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।