হোম > সারা দেশ > হবিগঞ্জ

২১ ঘণ্টা পর থানা থেকে ছাড়া পেলেন সেই মাহদি

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের আটক তিন নেতাকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। ছবি: আজকের পত্রিকা

হবিগঞ্জে আটকের প্রায় ২১ ঘণ্টা পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (বৈছাআ) হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্যসচিব মাহদি হাসানসহ তিনজনকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার বেলা ২টার দিকে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা থেকে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

মুক্তি পাওয়া অপর দুজন হলেন বৈছাআ নেতা মির্জা সুমন ও মো. রাকিব। তাঁদের মুক্তির খবর পেয়ে থানা ফটকের সামনে বৈছাআর নেতাকর্মী, স্বজন ও সংবাদকর্মীরা ভিড় করেন।

এর আগে গতকাল সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট মসজিদ এলাকা থেকে মাহদি হাসানসহ তিনজনকে আটক করে পুলিশ। প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগে তাঁদের আটক করা হয়। পরে তাঁদের হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় নেওয়া হয়।

পুলিশ জানায়, মাহদি হাসানসহ তাঁর সহযোগীরা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই ‘ছাত্র-জনতার’ ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করেন। এর আগে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মিছিলের অনুমতি দেওয়া হয়নি। এরপরও তাঁরা কোর্ট মসজিদ এলাকায় জড়ো হলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা তৈরি হয়। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করে।

মুক্তির পর মাহদি হাসান অভিযোগ করেন, ‘শহরে অসহনীয় লোডশেডিং, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, গ্যাসের সংকট নিরসন এবং দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে সর্বস্তরের ছাত্র-জনতার ব্যানারে আমরা বিক্ষোভ মিছিল করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু পুলিশ ফ্যাসিবাদী স্টাইলে টেনে হেচরে আমাদের পিকআপ ভানে করে থানায় নিয়ে আসে।’ তাঁর দাবি, বিক্ষোভ মিছিলের আগের রাতেও পুলিশ তাঁদের বাড়িতে গিয়ে তল্লাশি চালায় এবং পরিবারের সদস্যদের হুমকি-ধমকি দেয়।

এ সময় কেন্দ্রীয় নারী যুবশক্তির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারজানা আহমেদও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক বলেন, প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। বিশৃঙ্খলার আশঙ্কায় তাঁদের আটক করা হয়। পরে মুচলেকা নিয়ে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।