হোম > সারা দেশ > গাইবান্ধা

চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে যুবকের দুই পা বিচ্ছিন্ন, পরে মৃত্যু

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

প্রতীকী ছবি

গাইবান্ধার বোনারপাড়া রেলস্টেশনে চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে দুই পা বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর রিপন মিয়া (৩৫) নামের এক যুবক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।

আজ শনিবার বিকেল ৫টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বোনারপাড়া রেলওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জিয়াউর রহমান জিয়া।

নিহত রিপন মিয়া গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার দলদিয়া গ্রামের দুদু মিয়ার ছেলে।

রেলওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সান্তাহার থেকে ছেড়ে আসা আন্তনগর করতোয়া এক্সপ্রেস বোনারপাড়া রেলস্টেশনে যাত্রাবিরতি করে। পরে ট্রেনটি গাইবান্ধার উদ্দেশে স্টেশন ত্যাগ করার সময় সিগন্যালের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

পরে রেলওয়ে পুলিশ রিপন মিয়াকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা ও রক্তক্ষরণ নিয়ন্ত্রণের পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগে আনুমানিক বেলা ৩টায় তাঁর মৃত্যু হয়।

বোনারপাড়া রেলওয়ে থানার এসআই জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, দুর্ঘটনায় রিপনের দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়েছিল। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে রংপুরে নেওয়া হচ্ছিল; কিন্তু পথেই তাঁর মৃত্যু হয়।

রেলওয়ে পুলিশ জানায়, কীভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি ট্রেনের দরজার হাতল ধরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে গিয়ে ট্রেনের চাকায় তাঁর দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক ৪

পলাশবাড়ীর কালীবাড়ী হাট: ক্রেতাশূন্য চামড়ার মোকাম

সরকারি কর্মকর্তা পরিচয়ে ভাতা দেওয়ার আশ্বাসে অর্থ হাতিয়ে নেন তাঁরা

অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা সেই দুই অজ্ঞাত ব্যক্তি হাসপাতাল থেকে নিখোঁজ

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভাঙচুরের ঘটনায় স্বাস্থ্যকর্মীদের মানববন্ধন, কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

সুন্দরগঞ্জে পুকুরে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু

হাসপাতালে মৃত্যুশয্যায় দুই ব্যক্তি, পরিচয় মিলছে না

নিখোঁজের ১৫ দিন পর সাবেক ইউপি সদস্যের মরদেহ উদ্ধার

পলাশবাড়ীতে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে নারী নিহত, আহত ১০

ক্রেতা নেই, সড়কেই চামড়া ফেলে গেছেন অনেকে