গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার মুক্তিনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আহসান হাবিব লায়নসহ (৬২) সাতজনকে অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন নারী রয়েছেন। তাঁদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে উপজেলার কচুয়াবাজার এলাকার একটি বাগানবাড়ি থেকে তাঁদের আটক করা হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই চেয়ারম্যান দীর্ঘদিন ধরে কচুয়াবাজারের ওই বাগানবাড়িতে বিভিন্ন স্থান থেকে নারী এনে অসামাজিক কার্যকলাপ চালিয়ে আসছিলেন। ঘটনার রাতে একটি মাইক্রোবাসে করে চারজন নারী সেখানে প্রবেশ করলে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে তাঁরা বাগানবাড়ি ঘিরে রেখে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাতজনকে হেফাজতে নেয়।
প্রত্যক্ষদর্শী হারুন মিয়া বলেন, ‘একটি মাইক্রোবাসে চারজন নারী আসে। কিছুক্ষণ পর গাড়িটি খালি অবস্থায় বের হলে সন্দেহ হয়। পরে আমরা বাড়িটি ঘিরে রেখে ৯৯৯-এ ফোন দিই। পরে পুলিশ এসে সবাইকে থানায় নিয়ে যায়।’
তিনি আরও দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে ওই বাগানবাড়িতে অনৈতিক কর্মকাণ্ড চলছিল বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করে আসছিল।
এ বিষয়ে সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুব হোসেন বলেন, ‘চার নারীসহ সাতজন থানা হেফাজতে আছে। তারা আটকও না, গ্রেপ্তারও না।’ এক প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, ‘একজনের বাড়ি এভাবে ঘিরে রাখার অধিকার কারও নেই। একজন নিজের বাড়িতে তিনি কী করছেন, তা অন্যরা এভাবে হেনস্তা করতে পারে না।’ থানায় যাঁরা হেফাজতে আছেন, তাঁদের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেবেন—এমন প্রশ্ন করলে ওসি বলেন, ‘বিষয়টা রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ হ্যান্ডেল করছে’—বলেই তিনি ফোনের সংযোগ কেটে দেন।