গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া পৈতৃক জমির তিন টন (৩ হাজার কেজি) ধান বিক্রি করে ৯৬ হাজার টাকা পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত মঙ্গলবার উপজেলার পুবের বিলে চাষ করা এ ধান সরকার নির্ধারিত ৩২ টাকা কেজি দরে খাদ্যগুদামে বিক্রি করা হয়।
এতে প্রধানমন্ত্রীর ঠিকানা ধানমন্ডির সুধাসদনের নাম উল্লেখ করা হয়। এর আগে গত বছর প্রথমবার খাদ্যগুদামে প্রধানমন্ত্রীর পৈতৃক জমির ধান বিক্রি করা হয়।
টুঙ্গিপাড়া খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিদ্যুৎ কুমার বিশ্বাস এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় মোট ৯২৩ টন ধান কিনবে সরকার। তাই প্রাথমিকভাবে ৩০৮ জন কৃষক লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত হয়। তার মধ্যে নির্বাচিত কৃষক হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নিজের নামে তিন টন বোরো ধান বিক্রি করেছেন। এ ছাড়া ওই বিলের আরও চার টন ধান দুই প্রতিবেশীও খাদ্যগুদামে বিক্রি করেছে।’
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার পুবের বিলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পৈতৃক জমি অনাবাদি হিসেবে পড়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদি রাখা যাবে না। তাই প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে গত মৌসুম থেকে সমবায় ভিত্তিতে বোরো আবাদ শুরু হয় ওই সব জমিতে। সেখানের চাষ দেখে প্রতিবেশীরাও পুবের বিলের অনাবাদি জমিতে চাষাবাদে আগ্রহী হয়। গত মৌসুমে প্রধানমন্ত্রীর পৈতৃক ১৭ বিঘা জমি থেকে ১৫০ মণ ধান পেয়েছিলেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘এবার দ্বিতীয়বারের মতো ওই বিলের জমিতে বোরো ধানের আবাদ করা হয়। সেখান থেকে তিন টন বোরো ধান খাদ্য গুদামে বিক্রি করা হয়।’
২০ মে আনুষ্ঠানিকভাবে সরকার নির্ধারিত ন্যায্যমূল্যে কৃষকের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ শুরু করে উপজেলা কৃষি বিভাগ। আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত কেজি প্রতি ৩২ টাকা ও প্রতি মণ ১ হাজার ২৮০ টাকা দরে ধান ক্রয় করা হবে।