গাজীপুরে শ্রীপুরে ভাতিজার গলায় ছুরি ধরে ২ লাখ টাকা দাবির অভিযোগ উঠছে আল আমিন (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে। জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ থেকে ফোন পেয়ে শিশুকে উদ্ধার করে পুলিশ এবং অভিযুক্ত চাচাকে আটক করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার কেওয়া গ্রামের ব্যাপারী বাড়ি এলাকার মো. নুরু মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী শিশু পলাশ (১২) কেওয়া গ্রামের মো. নূরু মিয়ার ছেলে। আটক আল আমিন (৪৫) পলাশের বাবা নূরু মিয়ার সতভাই।
শিশুটির বাবা মো. নুরু মিয়া বলেন, ‘আল আমিন আমার সতভাই। গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তিনি আমার ঘরে প্রবেশ করে পলাশের গলায় ছুরি ধরে হত্যার হুমকি দিয়ে ২ লাখ টাকা দাবি করেন। এ সময় সে ঘরের সমস্ত আসবাবপত্র ভাঙচুর করে প্রায় দুই লাখ টাকার ক্ষতি করেন।’
মো. নুরু মিয়া আরও বলেন, ‘একপর্যায়ে ছেলের মা জাতীয় জরুরি সেবার নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে বিষয়টি পুলিশকে জানান। এরপর শ্রীপুর থানার পুলিশ এসে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকেই আল আমিনকে আটক করা হয়।’
প্রত্যক্ষদর্শী মাসুদ ব্যাপারী জানান, ‘আল-আমিন শিশুটিকে টাকার জন্য গলায় ছুড়ি ধরে জিম্মি করে রাখেন। খবর পেয়ে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হয়ে শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি হুমকি দেয় টাকা না দিলে শিশুটিকে মেরে ফেলবেন।’
শ্রীপুর থানার পরিদর্শক মো. সোহেল রানা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘৯৯৯ থেকে ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই রাত ১টার দিকে। আল-আমিন শিশুটিকে জিম্মি করে পরিবারের কাছে দুই লাখ টাকা দাবির বিষয়টি সঠিক। এ বিষয়ে পরবর্তী আইন পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’