হোম > সারা দেশ > ঢাকা

চার হাত বদলে মালয়েশিয়া যায় ধর্মমন্ত্রীর চুরি হওয়া আইফোন: ডিবি 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

চুরি যাওয়ার প্রায় দেড় মাস পর ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হকের আইফোনটি মালয়েশিয়া থেকে উদ্ধার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এর আগে গত ৩০ এপ্রিল জামালপুরের এক জানাজা নামাজ থেকে এই ফোন চুরি হয়। চুরির শুরু থেকে মালয়েশিয়া যাওয়া পর্যন্ত চার হাত বদল হয় আইফোনটি। বিপুল পরিমাণ চোরাই মোবাইলসহ ফোন চোর চক্রের মূল হোতা মো. জাকির হোসেন ও আরো আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ। 

আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

হারুন অর রশীদ বলেন, জামালপুরের জানাজা নামাজে যাওয়ার পরে তাঁর পকেট থেকে মুন্না নামের একজন মোবাইলটি চুরি করে। এরপর সেটি আসে রাসেলের কাছে। রাসেল ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করে বোরহানের কাছে। এরপর সেই মোবাইল কামরুজ্জামান হিরু নামের একজনের কাছে দেয় বোরহান। হিরু মোবাইলটি মালয়েশিয়ায় পাঠিয়ে দেয়। তাদের গ্রেপ্তারের পর চক্রের সদস্যরা মালয়েশিয়া থেকে মোবাইলটি পাঠিয়ে দেয়। 

এই চক্রটি বিভিন্ন সভা-সমাবেশ ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে গিয়ে বড় বড় আমলা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ফোন চুরি করে। চক্রের মূল হোতা হিসেবে জাকির হোসেনকে চিহ্নিত করা হয়েছে এমন দাবি করে হারুন অর রশিদ বলেন, ‘ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে চুরি বা ছিনতাই করা ফোনগুলো জাকিরের কাছে জমা হয়। জাকির দামি মোবাইলগুলো এই চক্রের বিদেশে থাকা সদস্যদের কাছে পাঠিয়ে দেয়। বিশেষ করে মালয়েশিয়া, ভারত, দুবাইতে পাঠানো হয় এসব মোবাইল।

তিনি আরও বলেন, বিদেশের পাঠানোর জন্য জাকিরের কাছে আসা মোবাইলগুলো কুরিয়ারের মাধ্যমে চট্টগ্রামের রিয়াজউদ্দিন মার্কেটে থাকা চক্রের সদস্যদের কাছে পাঠানো হয়। তারাই দেশ থেকে বিভিন্ন দেশে পাচার করে দেয়। 

এই চোর চক্রটি ৮০টি গ্রুপে ভাগ হয়ে কার্যক্রম চালায় উল্লেখ করে হারুন অর রশীদ বলেন, ঢাকায় কাজ করা চক্রটি পকেট থেকে ও ছোঁ মেরে মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। আর ঢাকার বাইরে চক্রের সদস্যরা বড় কোনো সমাবেশ, জানাজা বা জনসমাবেশকে টার্গেট করে। আর চুরি করতে গিয়ে যদি কেউ ধরা পড়ে যায় তখন ভুক্তভোগীকে ঘিরে রেখে তাদের সদস্যদের পালাতে সাহায্য করে চক্রের অন্য সদস্যরা।

চক্রের গ্রেপ্তার সদস্যদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে গোয়েন্দা পুলিশ জানিয়েছে, চক্রটি অন্তত ১০ হাজার মোবাইল ফোন চুরি করেছে। চুরি করা ফোনগুলো তারা বেশির ভাগ সময় চট্টগ্রামের রিয়াজউদ্দিন মার্কেটে পাঠায়। সেখান থেকে এগুলো বিদেশে পাচার হয়। এছাড়া ঢাকাতেও বেশ কিছু মার্কেট আছে যেখানে এসব চোরাই মোবাইল বিক্রি হয়। 

ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর মোবাইল চুরি হওয়ার পরে জিডির সূত্র ধরে তদন্তে নামে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ৷ এর প্রেক্ষিতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আলাদা আলাদা সময় অভিযান চালিয়ে চক্রের মূল হোতাসহ অন্যদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার অন্যরা হলেন, মাসুদ শরীফ (৪১), মো. জিয়াউল মোল্লা জিয়া (৪৮), রাজিব খান মুন্না (২২), মো. আল আমিন মিয়া (২০), মো. আনোয়ার হোসেন ওরফে সোহেল (২৭), মো. রাসেল (৩৮), মো. খোকন আলী (৩৬) ও মো. বিল্লাল হোসেন (৩৭)। সবার বিরুদ্ধেই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

বনানীতে কর্কশিট ও হার্ডবোর্ডের গোডাউনে আগুন

বিপিসি চেয়ারম্যান ওএসডি, আলোচনায় জ্বালানি খাতে দুর্নীতি

রাজধানীর উত্তরায় বাসে আগুন

সাভারে গ্রেপ্তার ২৩ পোশাকশ্রমিককে কারাগারে প্রেরণ

হাদি হত্যা: অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ফের পিছিয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি

সাভারে পোশাক কারখানায় ভাঙচুরের মামলায় গ্রেপ্তার ২৩

এনবিআরের তারেকের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা, সম্পদ ক্রোক ও ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

রাজধানীর কদমতলীতে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের অভিযোগ হত্যার

পল্লবীতে মুদিদোকানিকে গুলি, খিলক্ষেতে নির্মাণশ্রমিককে ছুরিকাঘাত

উত্তরায় ফার্নিচার মার্কেটে আগুন, ৬ দোকান পুড়ে ছাই