হোম > সারা দেশ > ঢাকা

দুই শিশুকে নিয়ে জাপানে যেতে মায়ের আবেদন শুনানি ২ জুন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

গ্রীষ্মকালীন ছুটি কাটাতে শিশু জেসমিন মালিকা ও লাইলা লিনাকে সঙ্গে নিয়ে জাপান ভ্রমণের অনুমতি চেয়ে আপিল বিভাগে তাদের মা নাকানো এরিকোর করা আবেদন শুনানির জন্য আগামী ২ জুন দিন ধার্য করেছেন আপিল বিভাগ। আজ বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এই দিন ধার্য করেন। একই সঙ্গে বাবা ইমরান শরীফের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদনও ওই দিন শুনানি হবে বলে জানান নাকানোর আইনজীবী মুহাম্মদ শিশির মনির। 

ঢাকার পারিবারিক আদালতে মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত দুই শিশু তাদের মায়ের কাছে থাকবে বলে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি রায় দেন আপিল বিভাগ। সেই সঙ্গে এ বিষয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বাতিল করা হয়। এই সময়ে নাকানো এরিকো শিশুদের নিয়ে দেশত্যাগ করতে পারবেন না বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়।

এর আগে জাপানি দুই শিশু বাংলাদেশে তাদের বাবা ইমরান শরীফের কাছে থাকবে বলে গত বছরের ২১ নভেম্বর রায় দেন হাইকোর্ট। রায়ে বলা হয়, জাপান থেকে এসে মা বছরে তিনবার ১০ দিন করে দুই সন্তানের সঙ্গে একান্তে সময় কাটাতে পারবেন। জাপানি মায়ের আসা-যাওয়া ও থাকা-খাওয়ার সব খরচ বাবা ইমরান শরীফকে বহন করতে হবে। তবে অতিরিক্ত সময় যাওয়া-আসা করলে তা মাকেই বহন করতে হবে। 

রায়ে আদালত আরও বলেন, ইমরান শরীফ মাসে কমপক্ষে দুবার ছুটির দিন সন্তানদের সঙ্গে তাদের মাকে ভিডিও কলে কথা বলার সুযোগ করে দেবেন। আর বাংলাদেশে আসা-যাওয়া এবং গত কয়েক মাস থাকার খরচ বাবদ ইমরান শরীফ এরিকো নাকানোকে ১০ লাখ টাকা দেবেন। আদালত বলেন, রিটটি চলমান থাকবে এবং যেকোনো পক্ষ চাইলে আদালতে আসতে পারবেন। পরে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন জাপানি মা।

উত্তরায় মাইক্রোবাসে এসে প্রাডো গাড়িসহ এক ব্যক্তিকে অপহরণ, নিরাপত্তাকর্মীর অস্ত্র লুট

সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও নিরাপত্তায় ঐক্যের ডাক

আরিচা ঘাটে অসুস্থ হয়ে যুগ্ম সচিবের মৃত্যু

উত্তরায় আগুনে ৬ জনের মৃত্যু: ফায়ার সার্ভিসের তদন্ত কমিটি গঠন

উত্তরায় অগ্নিকাণ্ডে ছয়জন নিহতের ঘটনায় পুলিশের জিডি

গুলশান দুই দিনব্যাপী ফুল উৎসব অনুষ্ঠিত

রাজধানীতে এক দিনে ৪ নারীর মরদেহ উদ্ধার

অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২: গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে গ্রেপ্তার ২৮

ঢাকা-৭ আসন: নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় ভোটার

ঋণের জামিনদার হওয়াই কাল, মা-মেয়েকে হত্যার পর লাশের সঙ্গেই ঘুমাতেন দুই বোন