হোম > সারা দেশ > শরীয়তপুর

পা ভেঙে দেওয়া হলো দুদকে অভিযোগ করা সেই ব্যক্তির

শরীয়তপুর প্রতিনিধি

শরীয়তপুরে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগকারী এসকেন্দার ঢালী (৪৫) সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) শরীয়তপুর জেলা কার্যালয়ের উপব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মনির হোসেনকে ঘুষের ৫০ হাজার টাকাসহ হাতেনাতে আটক করা হয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে শরীয়তপুর শহরের কোটাপাড়া মোড়ে এই হামলা চালানো হয়। তাঁর এক পা ভেঙে গেছে। মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম রয়েছে। আজ শুক্রবার দুপুরে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।

এ ঘটনায় আজ শুক্রবার সকালে শরীয়তপুর আন্তজেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ফারুক আহমেদ চৌকিদারের ভাই কবির চৌকিদারসহ আটজনের বিরুদ্ধে পালং মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ব্যবসায়ী এসকেন্দার ঢালী সদর উপজেলার দক্ষিণ কেবলনগর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর আত্মীয় আবুল কালাম ঢালী মেসার্স ঢালী মিনারেল ওয়াটার নামে শরীয়তপুর বিসিক শিল্পনগরীতে ২০০৯ সালে একটি প্লট বরাদ্দ পান। তিনি প্রবাসে থাকায় প্লটটি দেখাশোনা করতে এসকেন্দার ঢালীকে ক্ষমতা দেন।

এসকেন্দার ঢালী ওই প্রকল্পের নাম ও উপখাত পরিবর্তনের জন্য বিসিকের শরীয়তপুর জেলা কার্যালয়ে আবেদন করেন। উপব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মনির হোসেন আবেদনটি স্বাক্ষরের জন্য বিসিকের চেয়ারম্যানের অফিসে পাঠাতে এসকেন্দার ঢালীর কাছে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন।

এসকেন্দার ঢালী বাধ্য হয়ে ইতিপূর্বে তাঁকে ৪৭ হাজার টাকা ঘুষ দেন। তাঁকে আরও ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে চাপ প্রয়োগ করেন উপব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মনির হোসেন। ওই টাকা না দিলে ফাইলে স্বাক্ষর হবে না বলে জানানো হলে তিনি দুদকের সমন্বিত মাদারীপুর জেলা কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ জানান।

তবু চাপে পড়ে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে বিসিক কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে উপব্যবস্থাপক মনির হোসেনকে ৫০ হাজার টাকা দেন এস্কেন্দার আলী। এ সময় দুদকের সমন্বিত মাদারীপুর জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আতিকুর রহমান ও সহকারী পরিচালক আক্তারুজ্জামানসহ দুদকের একটি দল মনির হোসেনকে ঘুষের ৫০ হাজার টাকাসহ হাতেনাতে আটক করেন। 

এ ঘটনার পর বেলা ৩টার দিকে এসকেন্দার ঢালী মোটরসাইকেল নিয়ে বিসিক থেকে জেলা শহরের দিকে যাচ্ছিলেন। কোটাপাড়া মোড়ে পৌঁছালে কবির চৌকিদারের নেতৃত্বে ১০-১৫ জন তাঁর মোটরসাইকেল আটকে সড়ক থেকে তুলে কোটাপাড়া প্রাইমারি স্কুলের পেছনে নিয়ে হাতুড়ি ও লোহার পাইপ দিয়ে মারধর করে গুরুতর জখম অবস্থায় ফেলে রেখে চলে যান।

স্থানীয়রা এসকেন্দার ঢালীকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় এসকেন্দার ঢালী বাদী হয়ে কবির চৌকিদারসহ আটজনের বিরুদ্ধে পালং মডেল থানায় মামলা করেন। 

এসকেন্দার ঢালী বলেন, ‘ফারুক চৌকিদারের ভাই কবির চৌকিদারের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা আমার ওপর হামলা চালায়। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।’ তিনি মনে করেন, দুদকে অভিযোগ দেওয়ার কারণেই তাঁর ওপর এই হামলা চালানো হয়েছে।

এ বিষয়ে জানার জন্য অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কারও বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আক্তার হোসেন মামলা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ সাভারে এখনো পোড়ানো হচ্ছে ইট

বিদেশে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসীর নির্দেশে খুন হন মুছাব্বির, পাঠানো হয় ১৫ লাখ টাকা

টেলিগ্রামে বিনিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে কোটি টাকা আত্মসাৎ, গ্রেপ্তার ১

মুছাব্বির হত্যায় গ্রেপ্তারদের মধ্যে দুজন আপন ভাই, আরেক ভাই পলাতক: ডিবি

সমিতির নামে কোটি টাকা আত্মসাৎ, হোতা গ্রেপ্তার

বিএনপির প্রার্থীর নির্বাচনী সভায় আওয়ামী লীগ নেতার ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান

রেডিওথেরাপির সক্ষমতা বাড়ানো দরকার

রাসিকের সাবেক মেয়র লিটন ও পরিবারের ৪১ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

রাজধানীতে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩৯

৯ ঘণ্টা পর প্রক্টর অফিস থেকে ছাড়া পেলেন চবির সেই শিক্ষক