দুর্নীতির মামলায় প্রশান্ত কুমার হালদারের (পি কে হালদার) সহযোগী ও সুখাদা প্রোপার্টিজ লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক অভিজিৎ অধিকারী তীর্থকে পৃথক দুই ধারায় সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১-এর বিচারক মুহা. হাসানুজ্জামান এ রায় দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, সম্পদের তথ্য গোপনের দায়ে অভিজিৎ অধিকারীকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের দায়ে তাঁকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
দণ্ডের পাশাপাশি তাঁকে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৫ হাজার ২৮৪ টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে তাঁকে আরও ৩০ দিনের কারাভোগ করতে হবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া জ্ঞাত আয়ের উৎসের বাইরে অর্জিত সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দেওয়া হয়েছে। দুই ধারার সাজা একত্রে চলবে বিধায় তাঁকে পাঁচ বছর কারাভোগ করতে হবে।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজিব দে রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মামলার শুরু থেকেই আসামি পলাতক রয়েছেন। আদালত তাঁর বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
২০২৩ সালের ৬ মার্চ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক মানসী বিশ্বাস এ মামলা করেন। মামলায় অভিজিতের বিরুদ্ধে ১ কোটি ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ ভোগদখলের অভিযোগ আনা হয়। এ ছাড়া নির্ধারিত সময়ে সম্পদবিবরণী দাখিল না করার অভিযোগও তুলে ধরা হয়। তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ৫ মে দুদকের উপপরিচালক নাজমুল হুসাইন অভিজিতের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন। তাঁর বিরুদ্ধে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৫ হাজার ২৮৪ টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ আনা হয়।
২০২৫ সালের ১৩ মার্চ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত পাঁচজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। আসামি পলাতক থাকায় আত্মপক্ষ শুনানি করতে পারেননি।