অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচার মামলায় পুলিশের বরখাস্ত ডিআইজি মিজানুর রহমানের ১৪ বছরের কারাদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে মিজানুর রহমানের আপিল খারিজ করে আজ বুধবার বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার একক বেঞ্চ এই রায় দেন।
আদালতে সাবেক ডিআইজি মিজানুর রহমানের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শফিক মাহবুব। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। তিনি বলেন, ‘বিচারিক আদালত অর্থ পাচারের অভিযোগে ছয় বছর, অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পাঁচ বছর এবং সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে তিন বছর সাজা দিয়েছিলেন। তবে আদালত বলে দিয়েছিলেন, সাজা একসঙ্গে চলবে। তাতে তাঁকে ছয় বছর সাজা খাটতে হতো।’ এ ছাড়া ৬ কোটি ৫৬ লাখ টাকা জরিমানাও বহাল রাখা হয়েছে বলে জানান দুদক আইনজীবী।
এর আগে, ২০২৩ সালের ২১ জুন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচার মামলায় রায় দেন। রায়ে মিজানুর রহমানসহ স্ত্রী সোহেলিয়া আনার ওরফে রত্না রহমান, ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান ও ভাগনে মাহমুদুল হাসানকেও দণ্ড দেন আদালত।
মিজান ছাড়া বাকি তিনজনকে ২৭ (১) ধারায় ৩ বছর ও মানি লন্ডারিং আইনে চার বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। তাঁদেরও চার বছর সাজা ভোগ করতে হবে। এ ছাড়া ডিআইজি মিজানকে অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদের জরিমানা করা হয়।
তারও আগে, ২০১৯ সালের ২৪ জুন দুদক ডিআইজি মিজানসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে তিন কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তিন কোটি ৭ লাখ ৫ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়।