ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন এ কে এম রেজাউল করিম খন্দকার। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সম্পাদক পদে লড়তে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে ২৮ এপ্রিল পদত্যাগপত্র দিয়েছেন তিনি। রেজাউল করিম পদত্যাগের বিষয়টি রোববার (৩ মে) সাংবাদিকদের জানান।
তিনি বলেন, আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সম্পাদক পদে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ১০ দলীয় জোটের আইনজীবী ঐক্য প্যানেল থেকে নির্বাচনে লড়তেই তিনি পদত্যাগ করেছেন।
জামায়াতসহ ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে সবুজ প্যানেল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন এ কে এম রেজাউল করিম খন্দকার। তবে তাদের জোটে নেই এনসিপির আইনজীবীরা। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে রেজাউল করিম খন্দকার আইন কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পান।
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির (২০২৬-২৭) দুই দিনব্যাপী নির্বাচন আগামী ১৩ ও ১৪ মে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আজ রোববার ছিল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন।
এবারের নির্বাচনে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি সমর্থক আইনজীবীরা ছাড়াও বেশ কয়েকজন আইনজীবী স্বতন্ত্রভাবে প্রার্থী হয়েছেন। তবে আওয়ামী পন্থী আইনজীবীদের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। যার কারণে তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন না।
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির আসন্ন নির্বাচনে সম্পাদক পদ থেকে নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন লিপু। আজ সুপ্রিম কোর্ট বারের অ্যাডহক কমিটির সম্পাদকের কাছে লিখিত পত্রের মাধ্যমে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। প্রত্যাহারের আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচন সাব-কমিটিতে ক্ষমতাসীন দলের ব্যক্তিদের নিয়োগ দিয়ে একটি একতরফা নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। এর প্রতিবাদেই তিনি সম্পাদক পদ থেকে তাঁর প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিচ্ছেন।
এদিকে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করেছেন সদস্য পদের প্রার্থী সালাহ উদ্দিন রিগ্যান। প্রত্যাহারের আবেদনে সালাহ উদ্দিন বলেন, তিনি মনে করেন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় দলমত-নির্বিশেষে নির্বাচনে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক সকল সাধারণ সদস্যদের প্রার্থী হওয়ার আইনগত অধিকার রয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতিতে নির্বাচনে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক সাধারণ সদস্যদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সমসুযোগ না দেওয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন নির্বাচনে অংশগ্রহণে তাঁর ইচ্ছে নেই। তাই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।