ছাগল-কাণ্ডে আলোচিত সাদিক অ্যাগ্রোর চেয়ারম্যান ইমরান হোসেনকে এবার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেন।
তাঁকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। মোহাম্মদপুর থানা এলাকায় অটোরিকশাচালক মো. রনি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার এসআই মো. নাজমুল ইসলাম। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে তাঁকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৯ জুলাই মোহাম্মদপুরের নূরজাহান রোডে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে গুলিবিদ্ধ হন অটোরিকশাচালক মো. রনি। পরে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় রনির মা মোহাম্মদপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
এর আগে গত ৩ মার্চ তাঁকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। ওই দিন সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম অর্গানাইজডের উপপরিদর্শক জোনাল হোসেন মোহাম্মদপুর থানায় মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে একটি মামলা করেন। পরদিন তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ঈদুল আজহায় আলোচিত ছিল সাদিক অ্যাগ্রোর একটি ছাগল। ১৫ লাখ টাকার কেনা সেই ছাগলের জন্য বেরিয়ে এসেছিল নানা কেলেঙ্কারির কথা। দেশজুড়ে শুরু হয়েছিল সমালোচনা। ওই বছর কোরবানির ঈদে ইমরানের সাদিক অ্যাগ্রো থেকে ১৫ লাখ টাকায় (প্রাথমিক দর) ‘উচ্চবংশীয়’ ছাগল কিনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হন তৎকালীন এনবিআর সদস্য মতিউর রহমানের ছেলে মুশফিকুর রহমান ওরফে ইফাত। এ ঘটনায় মতিউর রহমান ও তাঁর পরিবারের দুর্নীতির চিত্র সামনে চলে আসে। মতিউর রহমান বর্তমানে কারাগারে আছেন।