নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ৭৫ বছরের এক বৃদ্ধকে মাটিতে ফেলে ইট দিয়ে আঘাত ও বুকে লাথি মেরেছে প্রতিপক্ষরা। তাঁকে বাঁচাতে এসে আহত হয় বৃদ্ধের স্ত্রী ও তার ছেলে। এই ঘটনায় মামলা দায়েরের পর সুমন (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করছে পুলিশ।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে ফতুল্লার কুতুবপুর ইউনিয়নের লাকি বাজার থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর আগে গত ১৪ মার্চ ভুক্তভোগী বৃদ্ধের ছেলে অনন্ত হোসেন হৃদয় (২৬) বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করে।
মামলার বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, চলতি মাসের ৫ তারিখ বাদীর বাবা আমজাদ হোসেন (৭৫) নিজেদের জমিতে বালু ভরাট করছিল। সকাল ৯টার দিকে গ্রেপ্তারকৃত সুমন তাঁর কয়েকজন সহযোগী নিয়ে এসে বালু ভরাটের কাজ বন্ধ করে দেয়। এত বাদীর বাবা প্রতিবাদ করলে সুমন ও তার সহযোগীরা তাঁকে মাটিতে ফেলে ইট দিয়ে আঘাত করে। পরে তাঁর বুকে লাথি মেরে গুরুতর আহত করে।
বাদী হৃদয় তাঁর বাবাকে বাঁচাতে ছুটে এলে সুমনকে ছুরিকাঘাত করে। এতে হৃদয়ের হাত কেটে যায়। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে সুমনকে নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে ও তার বাবা আমজাদকে দ্রুত রাজধানীর জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
একই দিন সন্ধ্যা সাতটায় হামলাকারীরা পুনরায় বাদীর বাসায় গিয়ে হামলা চালায়। এ সময় তাঁরা হৃদয়ের মাকে মারধর করে জখম করে। পরে তাঁকে চিকিৎসার জন্য নারায়ণগঞ্জের খানপুর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। পরে ১৪ মার্চ সুমন সহ অজ্ঞাত পাঁচ-ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফতুল্লা থানার উপপরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আরিফ পাঠান। তিনি বলেন, মঙ্গলবার বেলা একটার দিকে মামলার প্রধান আসামি সুমনকে তার বাড়ির সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।