গাজীপুরের শ্রীপুরে ৫ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে ঘরে অবরুদ্ধ করে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে শ্রীপুর পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের বহেরারচালা গ্রামে এ নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। এঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে স্বামীসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে শ্রীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে।
ভুক্তভোগীর স্বামী বহেরারচালা গ্রামের মোহাম্মদ রাজ্জাক কাজীর ছেলে মো. ইমরান কাজী।
অভিযোগ ও নির্যাতিত নারীর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, এক বছর পূর্বে উপজেলার মাওনা গ্রামের সাজিম উদ্দিনের মেয়ের সঙ্গে অভিযুক্ত ইমরান কাজীর বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর সাজিম উদ্দিন মেয়ের জামাতাকে বাড়ি করার জন্য নগদ ৫ লাখ টাকা এবং ২ লাখ টাকার আসবাবপত্র যৌতুক হিসেবে দেন। এর কিছুদিন পর ইমরান কাজী তাঁর পরিবারের সদস্যদের পরামর্শে আবারও ৫ লাখ টাকা দাবি করে। দাবিকৃত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ওই নারীকে শারীরিক ও মানুষিকভাবে নির্যাতন শুরু কর।
গতকাল বুধবার রাত ৮ দিক ইমরান কাজী ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা ওই গৃহবধূকে ৫ লাখ টাকা যৌতুকের জন্য ঘরের ভেতর অবরুদ্ধ করে মারধর করে। নির্যাতনের খবর পেয়ে ভুক্তভোগীর মা মমতাজ বেগম দেখতে যান। ইমরান কাজী ও তাঁর পরিবারের লোকজন মমতাজ বেগমকেও অবরুদ্ধ করে রাখে। আজ বৃহস্পতিবার নারীর স্বজনরা জাতীয় সেবা সুরক্ষা নম্বর ৯৯৯ এ পুলিশের সহযোগিতায় ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে।
শ্রীপুর থানর উপপরিদর্শক নাজমুল হক বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা সুরক্ষা নম্বর ৯৯৯ থেকে কল পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে অভিযান চালিয়ে ভুক্তভোগী ও তাঁর মাকে উদ্ধার করা হয়েছে। ভুক্তভোগী বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে।