বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বারান্দা থেকে পড়ে অভিনেত্রী আসমা আক্তার ঝিলিকের মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর স্বামী সাফি উল্লাহর জামিন নাকচ করা হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মো. জুনাইদ তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
সকালে জামিনের আবেদন করা হলে দুপুরে শুনানি শেষে আদালত পরে আদেশ দেবেন বলে জানান। বিকেলে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আদেশ দেন।
আসামিপক্ষে জামিন আবেদনের ওপর শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মুনজুর আলম, আবুল কালাম আজাদ, জাকারিয়া হায়দার, তরিকুল ইসলাম, মিজানুর রহমান প্রমুখ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের ধানমন্ডি থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই আবুল বাশার।
গত ১৪ জানুয়ারি এক দিনের রিমান্ড শেষে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। আগের দিন ১৩ জানুয়ারি তাঁকে এক দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।
গত ১২ জানুয়ারি দুপুরে বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আটতলার বারান্দা থেকে পড়ে মৃত্যু হয় ঝিলিকের। এ ঘটনায় তাঁর বড় ভাই মোজাম্মেল হক ধানমন্ডি মডেল থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে অভিনেত্রীর স্বামী সাফি উল্লাহর বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে সাফি উল্লাহকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, পেটের ব্যথা নিয়ে ধানমন্ডির বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন সাফি। সুস্থ হওয়ার পর তাঁকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। এরপর ঝিলিক তাঁর স্বজনদের হাসপাতালের বিলের জন্য ১৬ হাজার টাকা পাঠাতে বলেন। ঘটনার দিন বেলা সোয়া ১টার দিকে ঝিলিকের সঙ্গে ছোট বোন রেশমি আক্তারের ভিডিও কলে কথা হয়। এর ঘণ্টাখানেক পর সাফি ঝিলিকের বাবাকে ফোন করে মৃত্যুর খবর দেন বলে মামলায় বলা হয়েছে।