ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের জগন্নাথদিঘি গুচ্ছগ্রাম এলাকার শূন্যরেখা থেকে রোকেয়া বেগম নামে ৫০ বছর বয়সী এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোকেয়া বেগম উপজেলার গুচ্ছগ্রামের মৃত আলী আশরাফের স্ত্রী।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাতে মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফ হোসাইন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোকেয়া বেগম দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। মঙ্গলবার সকালে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। পরে রাত ৯টায় জগন্নাথদিঘি বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যদের অনুমতি নিয়ে স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা সীমান্তবর্তী এলাকায় তাঁকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে রাত ১১টায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের ১৪১৩ নম্বর পিলারের পাশে স্থানীয় লোকজন ওই নারীর মরদেহ দেখতে পেয়ে জগন্নাথদিঘি বিজিবি ক্যাম্পে খবর দেন। বিজিবির মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে রাত ১২টায় মরদেহের প্রাথমিক সুরতহাল করেন। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য চৌদ্দগ্রাম থানায় পাঠানো হয়।
রোকেয়া বেগমের একমাত্র ছেলে তাঁকে দেখাশোনা করতেন না বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুল করিম। তিনি বলেন, ‘নিখোঁজ হওয়ার পর আমরা বিজিবির অনুমতি নিয়ে সীমান্তবর্তী বাগান এলাকায় খোঁজ করতে গিয়ে তাঁর মরদেহ দেখতে পাই। মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলতে পারছি না।’
চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফ হোছাইন বলেন, রোকেয়া বেগমের মরদেহের ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
বিজিবি জগন্নাথদিঘি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার মোর্শেদ বলেন, ‘মঙ্গলবার রাতে স্থানীয় লোকজন ভারত সীমান্তের ১৪১৩ নম্বর পিলার-সংলগ্ন এলাকায় রোকেয়া বেগম নামে ওই নারীর মরদেহ দেখতে পেয়ে আমাদের জানান। আমরা থানা-পুলিশকে বিষয়টি জানিয়েছি। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।’