কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। এ বছর মোট ৯২ হাজার ১৬২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৪৪ হাজার ২৭২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৩১৩ জন।
পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এবারও ছাত্রীদের পাসের হার ছাত্রদের তুলনায় বেশি। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৫৫ হাজার ৪৩৪ জন ছাত্রীর মধ্যে পাস করেছে ২৮ হাজার ৪১৫ জন। অন্যদিকে ৩৬ হাজার ৭২৮ জন ছাত্রের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৫ হাজার ৮৫৭ জন।
শিক্ষা বোর্ডের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছর বোর্ডের অধীন চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী পাস করেছে। অন্যদিকে ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি।
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম জানান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী এবার সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নিজ নিজ ইআইআইএন নম্বর ব্যবহার করে বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে ফলাফল জানতে পারছে। পাশাপাশি পরীক্ষার্থীরা মোবাইল ফোনে খুদে বার্তার মাধ্যমেও ফলাফল সংগ্রহ করতে পারছে।
ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ সম্পর্কে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বলেন, ইংরেজি ও উচ্চতর গণিত বিষয়ে অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় সামগ্রিকুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। এ বছর মোট ৯২ হাজার ১৬২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৪৪ হাজার ২৭২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৩১৩ জন। পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এবারও ছাত্রীদের পাসের হার ছাত্রদের তুলনায় বেশি। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৫৫ হাজার ৪৩৪ জন ছাত্রীর মধ্যে পাস করেছে ২৮ হাজার ৪১৫ জন। অন্যদিকে ৩৬ হাজার ৭২৮ জন ছাত্রের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৫ হাজার ৮৫৭ জন...ক পাসের হারে এর প্রভাব পড়েছে।
গত বছরের তুলনায় এবার কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার কমেছে। ২০২৫ সালে এ বোর্ডে পাসের হার ছিল ৪৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ। ওই বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২ হাজার ৭০৭ জন। সে হিসাবে এবার পাসের হার কমেছে শূন্য দশমিক ৮২ শতাংশ পয়েন্ট এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা কমেছে ১ হাজার ৩৯৪ জন।