বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিয়ে দ্রুততম সময়ে ১৬ দশমিক ১ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন সাইফুল ইসলাম রাসেল। ৪ ঘণ্টা ১৫ মিনিট সময় নিয়ে তিনি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার শাহপরীরদ্বীপ থেকে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের উত্তর সৈকতে পৌঁছে প্রতিযোগিতা শেষ করেন।
আজ শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সাড়ে ৫টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন কক্সবাজার জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন।
তিনি জানান, সাগরে প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও ১৬ দশমিক ১ কিলোমিটার পথ ৪ ঘণ্টা ১৫ মিনিট অতিক্রম করেন সাইফুল।
এর আগেও তিনি ২০২৩ সালে বাংলা চ্যানেল সাঁতারে প্রথম হয়েছিলেন। এবার যৌথভাবে দ্বিতীয় হন মো. ফয়সাল আহমদ ও তৌফিকুজ্জামান, তাঁরা ৪ ঘণ্টা ৫৫ মিনিটে সাঁতার শেষ করেন। পাঁচ ঘণ্টা পাঁচ মিনিট সময় নিয়ে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন হাফিজুর রহমান।
কক্সবাজার জেলার টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ থেকে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ পর্যন্ত ‘বাংলা চ্যানেল’ নামে পরিচিত ১৬ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ সাগরপথ সাঁতরে পাড়ি দেন ৩৫ জন সাঁতারু। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং ক্রীড়া পরিদপ্তরের পৃষ্ঠপোষকতায়, তারুণ্যের উৎসবের অংশ হিসেবে ষড়জ অ্যাডভেঞ্চারের আয়োজনে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
শনিবার সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে শাহপরীর দ্বীপের পশ্চিম সৈকত থেকে সাঁতার শুরু হয়। ১৯তম বাংলা চ্যানেল সাঁতার প্রতিযোগিতায় মোট ৩৭ জন সাঁতারু নিবন্ধন করলেও চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশ নেন ৩৫ জন।
প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন, কক্সবাজার জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন।
কক্সবাজার জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন বলেন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ১৯তম বাংলা চ্যানেল সাঁতার প্রতিযোগিতা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে নিয়মিতভাবে এই প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হচ্ছে। এ বছর ৩৫ জন সাঁতারু এতে অংশগ্রহণ করেন।
প্রথম স্থান অর্জনকারী সাইফুল ইসলাম রাসেল বলেন, তিনি এর আগেও ছয়বার বাংলা চ্যানেল সাঁতরে পাড়ি দিয়েছেন। ২০২১ সালে ডাবল পাড়ি দেন।
সপ্তমবার বাংলা চ্যানেল জয়ের লক্ষ্যে অংশ নিয়ে এবারও প্রথম হতে পেরে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।
‘ষড়জ অ্যাডভেঞ্চারের’ প্রধান নির্বাহী লিপটন সরকার বলেন, এ বছর দুজন নারীসহ ৩৫ জন সাঁতারু অংশ নিয়েছেন। আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে প্রতিযোগিতা পরিচালনা করা হয়েছে এবং নিরাপত্তার জন্য প্রতিটি সাঁতারুর সঙ্গে বোট ও উদ্ধারকর্মী রাখা হয়।