হোম > সারা দেশ > কক্সবাজার

ঈদের ছুটি: পর্যটকদের বরণে প্রস্তুত কক্সবাজার

মাইনউদ্দিন শাহেদ, কক্সবাজার

কক্সবাজার সৈকতে গোসল করতে নেমে মারা যাওয়া পর্যটক জুহায়ের আয়মান আহনাফের লাশ উদ্ধার করা হয়। আজ সোমবার সকালে নাজিরারটেক এলাকায়। ছবি: আজকের পত্রিকা

এবারের ঈদে সাত দিনের ছুটি পাচ্ছেন সরকারি-বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা। আর ঈদের ছুটিতে বাড়তি পর্যটকের চাপ সামাল দিতে পর্যটননগরী কক্সবাজারে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।

রমজানে হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট ও কটেজগুলোতে কক্ষ ভাড়ায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিয়েও পর্যটক পাওয়া যায়নি। তবে হোটেলে সীমিতসংখ্যক অমুসলিম পর্যটকের উপস্থিতি ছিল। এই সময়ে অধিকাংশ হোটেল-রিসোর্টে সংস্কার ও সাজসজ্জার কাজ করা হয়েছে।

ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের যথাযথভাবে বরণ করে নিতে এরই মধ্যে অধিকাংশ প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। ১১ মার্চ এ বিষয়ে একটি প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর ঈদুল ফিতরের ছুটিতে কক্সবাজারে অন্তত ১৩ লাখ পর্যটক ভ্রমণ করেছে। ঈদুল আজহার ছুটিতেও প্রায় একই পরিমাণ মানুষের সমাগম হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে এবারও বিপুল পর্যটকের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

পর্যটকদের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে শহরের পাঁচ শতাধিক হোটেল, রিসোর্ট ও গেস্ট হাউস। সুগন্ধা সৈকতের পাশে অবস্থিত হোটেল কক্স টুডেতে ২৪০টি কক্ষ রয়েছে। সেখানে চলমান সংস্কারকাজ ঈদের আগেই শেষ হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির জেনারেল ম্যানেজার আবু তালেব শাহ। তিনি বলেন, ‘ইতিমধ্যে আমাদের হোটেলের ৬০ শতাংশ কক্ষ বুকিং হয়েছে। বিশেষ করে ২২ ও ২৩ মার্চের জন্য বুকিং বেশি হচ্ছে।’

প্রায় একই চিত্র শহরের অন্যান্য হোটেল-মোটেলেও। কলাতলী হোটেল-মোটেল জোন, মেরিন ড্রাইভ ও আশপাশের এলাকায় প্রায় ১২০০ রেস্তোরাঁয় চলছে পরিচ্ছন্নতা ও সাজসজ্জার কাজ। শহর ও আশপাশে মোট ১ লাখ ৭০ হাজার পর্যটকের রাতযাপনের ব্যবস্থা রয়েছে। কক্সবাজার ট্রিপ জোনের পরিচালক জিকু পাল বলেন, ‘২২ মার্চ থেকে পর্যটকেরা কক্সবাজারমুখী হবে। ২৯ মার্চ পর্যন্ত ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ কক্ষ ইতিমধ্যে বুকিং হয়েছে।’

এবারের ঈদে পর্যটকেরা ঝুপড়িমুক্ত সৈকত দেখতে পাবে। লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলী সৈকতের বালিয়াড়িতে দীর্ঘদিন ধরে থাকা ঝুপড়ি দোকান ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। ৯ মার্চ জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এক সপ্তাহের মধ্যে এসব স্থাপনা সরানোর নির্দেশ দেন। এর পরপর অন্তত ৬০০ দোকান ও স্থাপনা উচ্ছেদ করে জেলা প্রশাসন।

জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মান্নান বলেন, ‘পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সভা হয়েছে। পর্যটকেরা ভ্রমণে এসে যাতে হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার না হয়, সে জন্য জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত মাঠে থাকবে।’

কক্সবাজার সৈকতের সুগন্ধা থেকে ৪ শতাধিক অবৈধ দোকান উচ্ছেদ

কক্সবাজার সৈকতে ভেসে এল মৃত ইরাবতী ডলফিন

৩টি হত্যা মামলার আসামি স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা গ্রেপ্তার, র‍্যাবের মোটরসাইকেলে আগুন

চকরিয়ায় মাতামুহুরী নদীতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু

কক্সবাজার সৈকতের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

রমজানের পর সারা দেশে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান শুরু: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

টেকনাফে টমটমচালককে অপহরণ করে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি

চকরিয়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চা দোকানে ঢুকে পড়ল পিকআপ ভ্যান, বৃদ্ধ নিহত

উখিয়ায় স্বামীর লাথিতে স্ত্রীর মৃত্যুর অভিযোগ

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে লিফটের নিচে পড়ে মৃত্যু, ৪ দিন পর লাশ উদ্ধার