চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে জামায়াত কর্মী হাফিজুর রহমান (৫০) হত্যায় জড়িত ব্যক্তিদের ধরতে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছেন উপজেলা জামায়াত ইসলামীর নেতা-কর্মীরা। আজ রোববার বেলা ১১টার দিকে জীবননগর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি জীবননগর হাসপাতাল ও ইসলামী ব্যাংকের সামনে থেকে ঘুরে এসে জীবননগর বাসস্ট্যান্ডে শেষ হয়। পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ থেকে এই আলটিমেটাম দেওয়া হয়।
সমাবেশে বক্তব্য দেন জীবননগর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা সাজেদুর রহমান, উপজেলা নায়েবে আমির সাখাওয়াত হোসেন, জেলা মজলিশুল মুফাসসিরিনের সভাপতি হাফিজুর রহমান, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবু বক্কর, জীবননগর পৌর যুব জামায়াতের সভাপতি আরিফ জোয়ার্দার প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হাফিজুর হত্যায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তারে যদি প্রশাসন ব্যর্থ হয়, তাহলে আগামীকাল থেকে কঠোর আন্দোলন করা হবে। হাফিজুরের খুনিদের হত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা ঘরে ফিরবেন না।
গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ ইউনিয়নে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত হাফিজুর রহমান মারা যান। তিনি বাঁকা ইউনিয়ন আমির মফিজুর রহমানের বড় ভাই ও ঢাকা জুয়েলার্সের মালিক। আজ সকাল ১০টায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে লাশের ময়নাতদন্ত করা হয়। বেলা ৩টায় সুটিয়া গ্রামে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান সেখ বলেন, বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষে আহত একজনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে।