চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে নিজ বাড়িতে ঘুমন্ত অবস্থায় দুর্বৃত্তদের কোপে আহত ববিতা খাতুন (২৭) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শনিবার রাত ১০টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।
এর আগে শুক্রবার দিবাগত রাত ৪টার দিকে উপজেলার ডুমুরিয়া দক্ষিণপাড়া এলাকায় ববিতার বাবার বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। ববিতা ওই গ্রামের সানোয়ার হোসেনের মেয়ে।
ববিতার বাবা সানোয়ার হোসেন জানান, রাতে তাঁর মেয়ে ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ চিৎকার শুনে তিনি ঘুম থেকে উঠে মেয়েকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্বজনেরা তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ববিতাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার রাত ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে তিনি মারা যান। বর্তমানে তাঁর মরদেহ রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, ববিতার তিনবার বিয়ে হয়েছিল। বর্তমানে তিনি আলাদা থাকতেন। তাঁর দুই মেয়ে রয়েছে। অসুস্থতার কারণে তাঁর বাবা কাজ করতে পারেন না।
জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান সেখ বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে তদন্ত চলছে। এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।