চুয়াডাঙ্গা কামিল মাদ্রাসায় দাখিল পরীক্ষায় ভুল প্রশ্নপত্রে ২২ থেকে ২৫ মিনিট পরীক্ষা নেওয়ার পর পরিবর্তন করা হয় প্রশ্নপত্র। পরীক্ষার্থীদের অতিরিক্ত সময় দেওয়ার কথা থাকলেও তা দেওয়া হয়নি। এত বড় ঘটনা ঘটলেও জানানো হয়নি জেলা প্রশাসক বা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে।
আজকের পত্রিকার প্রতিবেদকের কাছে জানার পর তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছে জেলা প্রশাসন। কেন্দ্রসচিব ও ট্যাগ অফিসারকে অব্যাহতি এবং কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে। একই সঙ্গে জেলা প্রশাসন ঘটনার শিকার শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর বোর্ডে পাঠাবে, যাতে বিশেষ দৃষ্টিকোণে দেখা হয় তাদের।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) বি এম তারিক-উজ-জামান বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। এ ধরনের ঘটনা ঘটলে তো কেন্দ্রসচিবের জানানোর প্রয়োজন ছিল। আমরা সেখানে যেতাম। পরিদর্শন করে দেখতাম কী অবস্থা। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতাম। যা-ই হোক, বিষয়টি এখন আপনি আমাদের নজরে দিলেন। আমরা নিশ্চয়ই খতিয়ে দেখব।’
পরে রাত ১০টা ১৫ মিনিটে তারিক-উজ-জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ডিসি। ওই কেন্দ্রের সচিব চুয়াডাঙ্গা কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ জান্নাত আলী ও ট্যাগ অফিসারকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে। কারণ দর্শানোর নোটিশও দেওয়া হবে। একই সঙ্গে জেলা প্রশাসন ঘটনার শিকার শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর বোর্ডে পাঠাবে, যাতে বিশেষ দৃষ্টিকোণে দেখা হয় তাদের।