সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীর ফেরদৌস স্টিল শিপইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে ৯ শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে থাকা সাতজনের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর মধ্যে একজনের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। বাকি ছয়জনের মরদেহ স্বজনদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই হস্তান্তর করা হয়।
গতকাল শুক্রবার রাতে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয় বলে আজ নিশ্চিত করেছেন চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) আলাউদ্দিন তালুকদার।
আলাউদ্দিন তালুকদার বলেন, চমেক হাসপাতালের মর্গে থাকা সাত শ্রমিকের মধ্যে আব্দুল আলীম সুজনের মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ছয়জনের মরদেহ স্বজনদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই তাঁদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এর আগে দুর্ঘটনাস্থল থেকেই দুজনের মরদেহ স্বজনেরা নিয়ে যান। পরে হাসপাতাল থেকে মরদেহ নেওয়ার পর রাতেই নিহতদের স্বজনেরা ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী দাফন ও শেষকৃত্য সম্পন্ন করেন।
সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকদের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নেওয়ার পর স্বজনেরা ধর্মীয় বিধি অনুযায়ী দাফন ও শেষকৃত্য সম্পন্ন করেছেন। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি।
উল্লেখ্য, গতকাল শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে ভাটিয়ারী ইউনিয়নের স্টেশন রোড এলাকার ফেরদৌস স্টিল শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ড কারখানায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্ক্র্যাপ জাহাজের গ্যাস সিলিন্ডার থেকে ছড়িয়ে পড়া বিষাক্ত গ্যাসে ৯ শ্রমিকের মৃত্যু হয়। ঘটনার পর দুর্ঘটনার কারণ ও দায় নির্ধারণে জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ শিপ ব্রেকিং অ্যান্ড রিসাইক্লিং বোর্ড (বিএসবিআর) এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে পৃথক তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: