রাঙামাটিতে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও বেড়েছে করোনা সংক্রমণ। রোববার রাতে পাওয়া জেলা সিভিল সার্জনের সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে জেলায় ১৮৩ জনের মধ্যে নমুনা পরীক্ষা করে ৯৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৩৬ দশমিক ৭৪ শতাংশ।
প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আক্রান্তদের মধ্যে কাপ্তাইয়ের ৪৬ জন, সদরের ২৭ জন, কাউখালীর ৯ জন, লংগদু ৫ জন, নানিয়াচরের ২ জন, জুরাছড়ির ১ জন, বিলাইছড়ির ৪ জন, বাঘাইছড়ির ২ জন, বরকলে ১ জন।
এ পর্যন্ত জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ২২ জন। সর্বশেষ রোগীর মৃত্যু হয়েছিল ২৭ জুলাই বিলাইছড়ি উপজেলায়। এ পর্যন্ত জেলায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১৬ হাজার ৮৩৩ জনের। এর মধ্যে পজিটিভ শনাক্ত হয় ২ হাজার ৯১৪ জনের। এ হিসেবে জেলায় সামগ্রিক করোনা শনাক্তের হার ১৭ দশমিক ৩১ শতাংশ।
এ পর্যন্ত করোনার টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৫১ হাজার ৮৯৮ জন। দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ১৯ হাজার ১৩৪ জন। বর্তমানে পুরো জেলায় করোনা রোগীর চিকিৎসাধীন আছেন ৭৯৭ জন। এর মধ্যে রাঙামাটি সরকারি কলেজে হাসপাতালের অস্থায়ী আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি হয়ে সেবা নিচ্ছেন ১২ জন রোগী। বাকিরা ঘরে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
ফোকাল পারসন ডা. মোস্তফা কামাল বলেন, যারা ঘরে চিকিৎসা নিচ্ছেন তাদের সব সময় খবর রাখছি। উপসর্গ পরিবর্তন হলে আমাদের জানানোর পরামর্শ দিচ্ছি। সে অনুযায়ী ওষুধ দিচ্ছি। তিনি বলেন উপসর্গ পরিবর্তন হলে আমাদের সঙ্গে সঙ্গে জানাতে হবে। প্রথম যে ওষুধ দিয়েছি সেটার সঙ্গে আরও নতুন ওষুধ যোগ করতে হবে। প্রথমে দেওয়া ওষুধরে ওপর নির্ভর করে থাকলে হবে না। উপসর্গ পরিবর্তন হতে পারে। সে হিসেবে ওষুধেরও পরিবর্তন বা নতুন ওষুধ যোগ হবে। অক্সিজেন লেভেল মাপতে হবে। যার অক্সিজেন লেভেল কমে যাবে তাকে হাসপাতালে আসতে হবে। সে জন্য রাঙামাটির সবাইকে ০১৭৩০৩২৪৭৭৫ নম্বরে যোগাযোগ করতে হবে।