চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় ছয়টি কলেজের ২৬৭ শিক্ষার্থীর সবাই পাস করেছেন। বিপরীতে তিনটি কলেজের নয় শিক্ষার্থীর কেউ উত্তীর্ণ হতে পারেননি। আজ শনিবার চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডসহ সারা দেশে একযোগে এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১১৪টি কেন্দ্রে ২৮০টি কলেজের ৯৬ হাজার ৩৩৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। বোর্ডে পাসের হার ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ, যা গত বছরের তুলনায় শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ কম।
বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৯২৯ জন। গত বছরের তুলনায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩ হাজার ১৬৮ জন কম।
শতভাগ পাস করা কলেজগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী ছিলেন সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ড হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে। প্রতিষ্ঠানটির ১৩৪ জন পরীক্ষার্থীর সবাই উত্তীর্ণ হয়েছেন।
ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের ৪৪ জন, কোয়ান্টাম কসমো কলেজের ৬০ জন এবং কাফকো স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১৭ জন পরীক্ষার্থীর সবাই পাস করেছেন।
রামুর রায়ু ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছয়জন এবং লিডার্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছয়জন পরীক্ষার্থীও সবাই উত্তীর্ণ হয়েছেন।
গত বছর শতভাগ পাস করা কলেজের সংখ্যা ছিল আটটি। ২০২৪ ও ২০২৩ সালে এ ধরনের কলেজের সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ১৩ ও ১২টি। ২০২২ সালে শতভাগ পাস করা কলেজ ছিল ১৬টি।
পাসশূন্য তিনটি কলেজের মধ্যে মেরন সান কলেজ থেকে দুজন, সৃজনী ট্রাস্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পাঁচজন এবং বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে দুজন পরীক্ষায় অংশ নেন। নয় শিক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন।
গত বছর পাসশূন্য কলেজের সংখ্যা ছিল পাঁচটি। ২০২৪ ও ২০২৩ সালে এ ধরনের কলেজ ছিল যথাক্রমে পাঁচ ও তিনটি। ২০২২ সালে পাসশূন্য কোনো কলেজ ছিল না।
জেলাভিত্তিক ফলাফলে সবচেয়ে কম পাসের হার খাগড়াছড়িতে, ২৯ দশমিক ৮৫। রাঙামাটিতে পাসের হার ৩৩ দশমিক ২৪ এবং বান্দরবানে ৪১ দশমিক ৪২। চট্টগ্রাম মহানগরীতে পাস ৬৬ দশমিক ২০ শতাংশ।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের পাসের হার গতবারের কাছাকাছি। এবার অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হয়েছে এবং অভিন্ন পদ্ধতিতে মূল্যায়ন হয়েছে। তাই মূল্যায়ন যথাযথ হয়েছে।’