চট্টগ্রামে বিভিন্ন সময় মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ালীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ৬৮ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২ জুন) রাত ৯টার দিকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র সহকারী কমিশনার মো. আমিনুর রশীদ।
মুখপাত্র জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম নগরের ১৫টি থানায় অভিযান চালিয়ে এসব নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে মিছিলে অংশ নেওয়া, নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডসহ রাষ্ট্র বিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে খুলশী থানায় ১৩ জন, বায়েজিদ বোস্তামী থানায় ১২ জন, পাঁচলাইশ থানায় ১০ জন, কোতোয়ালি থানায় ১২ জন, ডবলমুরিং থানায় ৭ জন, ইপিজেড থানায় ৩ জন, বাকলিয়া থানায় ২ জন, কর্ণফুলী থানায় ২ জন এবং চকবাজার, চান্দগাঁও, হালিশহর, পাহাড়তলী, আকবরশাহ, বন্দর ও পতেঙ্গা থানায় ১ জন করে রয়েছে।
জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে চট্টগ্রাম নগরের পাশাপাশি বিভিন্ন উপজেলা ও পার্বত্য খাগড়াছড়ির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা রয়েছে। এছাড়া গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে দুয়েকজন ছাড়া বেশিরভাগরই বয়স ১৯ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে।
এদিকে কোতোয়ালি থানা পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে চট্টগ্রাম নগরে মো. আলমগীর নামে এক যুবলীগ নেতাকে পলোগ্রাউন্ড এলাকা থেকে আটকের পর থানায় নিয়ে পরে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
জানতে চাইলে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফতাব হোসেন বলেন, মিছিলের পর ১৫-১৬ জনকে আটক করা হয়েছিল, পরে যাচাই বাছাই শেষে ১২ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তবে যুবলীগের ওই নেতাকে ছাড়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি ছুটিতে আছি। ওই সময় অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মাহামুদুল হাসান মামুনের উপস্থিতিতে সন্দিগ্ধ হিসেবে আটক কয়েকজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১লা জুন নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ঝটিকা মিছিল করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এরপর নগর জুড়ে অভিযানে নামে সিএমপি।