হোম > সারা দেশ > ব্রাহ্মণবাড়িয়া

একই সময়ে বাবা–মায়ের দাফন চিকিৎসক সন্তানের

প্রতিনিধি, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে করোনা আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বামীর পরে মারা গেলেন স্ত্রী। একমাত্র ছেলে ও মেয়ে নজিরবিহীন এই শোকে বাকরুদ্ধ হয়ে গেছেন। একই সঙ্গে বাবা ও মায়ের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করা হয়। এমন হৃদয়বিদারক ঘটনায় শোকের মাতম চলছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া উপজেলার রতনপুর ইউনিয়নের বিটিভিশারা গ্রামে। 

আজ শনিবার দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে জানাজা শেষে গ্রামের কবরস্থানে তাঁদের দাফন করা হয়। 

মৃত বাবা–মায়ের একমাত্র ছেলে ডা. মো. জাবেদ আহমেদ মিঠু। তিনি কিশোরগঞ্জ বাজিতপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক। একমাত্র মেয়ে সুমী সুলতানা। তিনি উপজেলার রতনপুর ইউনিয়নের ভিটিবিশারা কমিউনিটি ক্লিনিকে সিএইচসিপিতে কর্মরত। 

তাঁদের বাবা মোহাম্মদ ইদ্রিস মিয়া (৭০) ও মা মিসেস হাফেজা খাতুন (৬১)। 

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে মারা যান তাঁদের বাবা। এ দিকে করোনা আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ মা। মাকে রেখে বাবাকে কবরস্ত করতে পারেননি তাঁরা। তাই বাবার লাশ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছিল। বাবার মৃত্যুর কথা শুনে অসুস্থ মাও মরে যাবেন এই ভয়ে তাঁকে জানানোও হয়নি মৃত্যুর কথা। কিন্তু পরের দিন রাতে একই হাসপাতালে তাঁদের মাও মারা যান। 

এর আগে করোনা আক্রান্ত হাওয়ায় বাবা-মাকে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন তাঁরা। তাঁর বাবা ও মা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী ছিলেন। 

আমি না বললে এখান থেকে বের হতে পারবেন না, স্যার— ম্যাজিস্ট্রেটকে রুমিন ফারহানা

স্বতন্ত্রের চাপে বিএনপি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষ, নিহত ২

বাঞ্ছারামপুরের ইউএনও ফেরদৌস আরা আর নেই

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে সাবেক ইউপি সদস্য নিহত

২৫ বছর পর অষ্টগ্রাম থেকে ভাড়া করে প্রার্থী দিল বিএনপি, তাও মার্কা খেজুরগাছ: রুমিন ফারহানা

পথসভার মঞ্চ ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ রুমিন ফারহানার

পতাকা বৈঠকের পর আখাউড়া দিয়ে যুবককে হস্তান্তর

বিএনপি থেকে বহিষ্কারের পর আমার জনসমর্থন আরও বেড়েছে: ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা

স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেন রুমিন ফারহানা