বগুড়ায় গাঁজাসহ আটকের পর ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২১ দিনের কারাদণ্ড পাওয়া এক নেতাসহ শহর যুবদলের দুই নেতার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অন্যজনকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
বহিষ্কৃত নেতা হলেন বগুড়া শহর যুবদলের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি কামরুজ্জামান রনি। অব্যাহতি পাওয়া নেতা হলেন শহর যুবদলের সদস্য জিতু শেখ।
গতকাল মঙ্গলবার শহর যুবদলের দপ্তর সম্পাদক সজল হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
যুবদল সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার বিকেলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বগুড়া জেলা কার্যালয়ের সদস্যরা একটি গাঁজার আসরে অভিযান চালান। এ সময় ৮০ গ্রাম গাঁজাসহ আটজনকে আটক করা হয়। তাঁদের মধ্যে যুবদল নেতা কামরুজ্জামান রনিও ছিলেন।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত আটকদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন। তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। এর মধ্যে কামরুজ্জামান রনিকে ২১ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, জিতু শেখের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর বিএনপির কমিটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিরূপ মন্তব্য করার অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিরূপ মন্তব্য ও ফেসবুক লাইভে কটাক্ষ করার অভিযোগও রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে কামরুজ্জামান রনিকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে জিতু শেখকে শহর যুবদলের সদস্যপদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।