ভোলা-২ আসনে একটি ভোটকেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এজেন্টদের আটকে রাখার অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. ফজলুল করিম। এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন তিনি।
জামায়াত প্রার্থীর অভিযোগ, আজ সকালে দৌলতখান উপজেলার ৫ নম্বর চর লামছিপাতা ভোটকেন্দ্রের একটি কক্ষে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এজেন্টদের আটকে রাখলেও প্রশাসন তাঁদের উদ্ধারের ব্যবস্থা করেনি।
সকাল পৌনে ৯টায় সরজমিনে চর লামছিপাতা ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, কেন্দ্রের চারটি বুথে ধানের শীষ প্রতীকসহ বিভিন্ন প্রার্থীর এজেন্ট থাকলেও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের কোনো এজেন্ট নেই। জানতে চাইলে ৪ নম্বর বুথের ধানের শীষ প্রতীকের এজেন্ট সুলতানা রাজিয়া, মোটরসাইকেল প্রতীকের সাবেকুন নাহার ও প্রজাপতি প্রতীকের এজেন্ট আ. মোমেন বলেন, এই কেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের কোনো এজেন্ট নেই। অন্য বুথগুলোতেও দাঁড়িপাল্লার প্রতীকের এজেন্টদের দেখা যায়নি। স্থানীয় লোকজন ও সাধারণ ভোটাররা জানান, এই কেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এজেন্টদের জোর করে বের করে দেওয়া হয়েছে।
সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মোবারক কারীম বলেন, ‘সকাল ৭টার দিকে আমি এই কেন্দ্রে প্রবেশ করার সময় কিছু উচ্ছৃঙ্খল লোক আমাকে প্রথমে কেন্দ্রে যেতে বাধা দেয়। পরে পরিচয়পত্র দেখিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করি।’
ভোটকেন্দ্রটিতে দায়িত্বরত এসআই মো. হানিফ বলেন, কেন্দ্রে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়নি। এজেন্ট না থাকার বিষয়ে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা বলতে পারেন।
কেন্দ্রের দায়িত্বরত প্রিসাইডিং কর্মকর্তা বিপ্লব বরাল বলেন, এই কেন্দ্রের চারটি বুথে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের কোনো এজেন্ট দেওয়া হয়নি।