হোম > সারা দেশ > বরিশাল

হামের চাপে শেবাচিম ও জেনারেল হাসপাতাল, রোগী ধরে রাখতে পারছে না উপজেলা হাসপাতাল

খান রফিক, বরিশাল

১০০ শয্যার বরিশাল জেনারেল হাসপাতালে রোগী ভর্তির চিত্র। ছবি: আজকের পত্রিকা

বরিশালে শিশুদের মধ্যে হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসছে না। এতে রোগীর বাড়তি চাপ পড়েছে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতাল ও বরিশাল জেনারেল হাসপাতালের ওপর। তবে জেলার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোয় হাম আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম দেখা যাচ্ছে। স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, উপজেলা হাসপাতালগুলো রোগী ধরে রাখতে না পারার কারণেই বিভাগীয় শহরের হাসপাতালে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে।

এ পরিস্থিতিতে চলতি সপ্তাহে বিভাগীয় পর্যায়ের এক ভার্চুয়াল সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোয় হাম আক্রান্ত রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সভায় প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী জিয়াউদ্দিন হায়দারসহ স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় রোগীদের খুব প্রয়োজন ছাড়া বিভাগীয় শহরে রেফার না করার তাগিদ দেওয়া হয়। পাশাপাশি শেবাচিম ও জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা আরও বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বরিশালের নয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আজ সোমবার পর্যন্ত হাম আক্রান্ত রোগী ভর্তি রয়েছে মাত্র ৬৭ জন। আজ নতুন ভর্তি হয় ৯ জন।

অন্যদিকে শেবাচিম হাসপাতালে আজ হামের উপসর্গ নিয়ে ১২০ জন ভর্তি হয়েছে। এর আগের দিন রোববার ভর্তি হয় ১১৫ জন এবং শনিবার ভর্তি হয়েছিল ১৩৩ জন।

বরিশাল জেনারেল হাসপাতালেও রোগীর চাপ বেশি। আজ সেখানে ৪৯ জন, রোববার ৩৭ জন ও শনিবার ৫০ জন হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছে। হাসপাতালটিতে ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি রোগী ভর্তি থাকায় বারান্দাতেও চিকিৎসা দিতে হচ্ছে।

১০০ শয্যার বরিশাল জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক মলয় কৃষ্ণ বড়াল বলেন, হামের রোগীই প্রতিদিন প্রায় ৫০ জন ভর্তি হচ্ছে। অথচ এখানে ৬৭ জন চিকিৎসকের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ২৭ জন। আজ ইনডোরে মোট রোগী ছিল ১৮১ জন। বাধ্য হয়ে দ্বিতীয় তলার তিনটি বারান্দায় রোগী রাখতে হচ্ছে। হাসপাতালে ভর্তি হওয়া বেশির ভাগ রোগীই শিশু।

চরমোনাই এলাকার হালিমা নামের এক নারী তাঁর তিন বছরের শিশুকে নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তিনি জানান, শিশুটির প্রথমে জ্বর, পরে বমি শুরু হয়। একইভাবে রুপাতলির ১৪ বছর বয়সী নূরনবী ও উত্তর আমানতগঞ্জের চার বছরের এক শিশুও হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

উপজেলা পর্যায়ে রোগী কম ভর্তি হওয়ার বিষয়ে বাবুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক কর্মকর্তা এ কে এম মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ড রয়েছে। তবে অনেকেই সরাসরি শেবাচিম হাসপাতালে চলে যাচ্ছেন।’

বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সুমি আক্তার বলেন, ‘আমাদের হাসপাতাল জরাজীর্ণ হওয়ায় অনেক রোগী ভর্তি না হয়ে সরাসরি বরিশালে চলে যান।’

বরিশালের সিভিল সার্জন মঞ্জুর ইলাহী বলেন, ‘উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, হামের রোগীদের অপ্রয়োজনে বিভাগীয় শহরে রেফার করা যাবে না। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমরা কাজ করছি।’

‘শিক্ষামন্ত্রীর কি আক্কেল নেই’—ছাত্রদল নেতার ফেসবুক পোস্ট ঘিরে হিজলায় ক্ষোভ

বাকেরগঞ্জ: খাল দখল করে বহুতল ভবন, মানা হয়নি নকশা

মুলাদীতে রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় বিপাকে ২০০ পরিবার, সেতুর নিচ দিয়ে চলাচল

প্রবেশপত্রের সঙ্গে অসংগতি থাকায় এইচএসসি পরীক্ষা দিতে পারল না রিপা

সৌদি আরবে পাচারের দায়ে ৪ ভাই-বোনকে কারাদণ্ড

আমরা স্বৈরাচার‌কে দেশ থে‌কে বিদায় ক‌রে‌ছি: ব‌রিশা‌লে প্রধানমন্ত্রী তা‌রেক রহমান

প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশে যাওয়ার পথে ট্রলারডুবি

খুলনায় নিখোঁজের ৫ মাস পর ইজিবাইকচালকের মরদেহ উদ্ধার, স্বামী-স্ত্রী আটক

বরিশালে ৭টি শিয়াল পিটিয়ে হত্যায় আদালতে মামলা

গুজব ছড়িয়ে আগৈলঝাড়া থানায় হামলায় প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার ৫