বরগুনার আমতলী উপজেলায় হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। গত ১৩ দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে ৩০ শিশু। আজ মঙ্গলবার পর্যন্ত ১৫ শিশু সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে। এরই মধ্যে হাসপাতালে অ্যান্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইনের সংকট দেখা দিয়েছে।
জানা গেছে, গত ১৩ দিনে ৩০ শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। ইতিমধ্যে ১৫ শিশু সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে। অ্যান্টিবায়োটিক ও স্যালাইন সংকট থাকায় হাসপাতাল থেকে সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। বাইর থেকেই ক্রয় করতে হচ্ছে এসব ওষুধ। তবে এসব ওষুধ শুধু হতদরিদ্রদের সরবরাহ করা হচ্ছে।
আজ দুপুরে হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, হামে আক্রান্ত শিশুদের আলাদা একটি ইউনিটে ভর্তি রাখা হয়েছে। কিন্তু সেখানে বেড না থাকায় মেঝেতেই বিছানা পেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে শিশুদের। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে শিশু ও স্বজনেরা।
রাবেয়া নামের এক স্বজন বলেন, হাসপাতাল থেকে অ্যান্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইন দিচ্ছে না। এগুলো বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে।
তাজিনুর নামের আরেকজন বলেন, ‘হাসপাতালে বেড নেই। মেঝেতেই বিছানা পেতে চিকিৎসা নিচ্ছি। অন্যদিকে ওষুধও বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে।’
আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা হুমায়ুন আহমেদ সুমন বলেন, হামে আক্রান্ত শিশুদের যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে অ্যান্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইনের সংকট রয়েছে। হতদরিদ্র শিশুদের অ্যান্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইন সরবরাহ করা হচ্ছে।
আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা চিন্ময় হাওলাদার বলেন, নতুন অর্থবছরের কারণে অ্যান্টিবায়োটিক ও ডিএনএস স্যালাইনের কিছুটা সংকট রয়েছে। কিছুদিনের মধ্যে সংকট কেটে যাবে।