হোম > সারা দেশ > বান্দরবান

বান্দরবানে স্রোতে ভেসে গেলেন তিন পর্যটক, একজনের লাশ উদ্ধার

বান্দরবান প্রতিনিধি

প্রতীকী ছবি

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার মাতামুহুরি নদী থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাতনামা লাশের পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ। নিহত পর্যটকের নাম শেখ জুবাইরুল ইসলাম। তিনি নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার ধলইতলা পাচুড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা আরও দুই পর্যটক নিখোঁজ হলেও তাঁদের লাশ এখনো উদ্ধার করা যায়নি।

পুলিশ জানায়, নিহতের বাবার নাম শেখ হিদায়েতুল ইসলাম, মায়ের নাম মোছা. কামরুন্নাহার। তাঁর জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ২৮৫৪২৭১০৪১। বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে উপজেলার ১ নম্বর সদর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ফরেস্ট ঘাটসংলগ্ন তাহের মল্লিকের জমিতে নদীর পানিতে লাশটি ভেসে আসে। খবর পেয়ে আলীকদম থানার অফিসার ইনচার্জ মির্জা জহির উদ্দিনের নির্দেশে উপপরিদর্শক ইয়াছিন আহমেদ মিশু সঙ্গীয় ফোর্সসহ লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলীকদম টুরিস্ট গাইড সিদ্ধার্থ তঞ্চঙ্গ্যার সঙ্গে ৩৩ জনের একটি টিম খেমচং পাড়া হয়ে রংরাং ক্রিসতং ঘুরতে যায়। ১২ জন গাইডের সঙ্গে ক্রিসতং গেলে বাকি ২১ জন শামুক ঝরনা হয়ে আলীকদম ফিরছিলেন। পথে প্রচুর বৃষ্টির মধ্যে শেখ জুবাইরুল ইসলাম পানিতে তলিয়ে যান। তাঁর সঙ্গে থাকা একটি মেয়েসহ ট্যুর হোস্ট হাসানও নিখোঁজ হন।

এ বিষয়ে আলীকদম টুরিস্ট গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মিন্টু কর্মকার বলেন, ‘বাম দৌছড়ি এলাকা থেকে ফেরার পথে তিনজন নিখোঁজ হন। একজনের লাশ পাওয়া গেলেও বাকিদের খোঁজ মেলেনি।’

আলীকদম থানার এসআই শাহাদাৎ হোসেন জানান, উদ্ধার হওয়া লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতের পরিবারকে বুঝিয়ে দেওয়া হবে। বিপজ্জনক ট্র্যাকিং রুটে দুর্ঘটনায় নিহত জুবাইরুল ইসলামের লাশ উদ্ধার হলেও নিখোঁজ অপর দুই পর্যটকের খোঁজ এখনো মেলেনি।

নাইক্ষ্যংছড়িতে দুই অস্ত্রধারীকে পুলিশে দিল জনতা

বান্দরবানে হামের উপসর্গ নিয়ে ২ ম্রো শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৬

বান্দরবানে সাংগ্রাই উৎসব শুরু

বান্দরবানে নদীতে ফুল ভাসিয়ে বিষু ও বিজু উৎসব শুরু

ফুল বিজুতে উৎসবের ঢেউ পাহাড়ে

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বিপুল বিস্ফোরকদ্রব্য উদ্ধার

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের নো ম্যান্স ল্যান্ডে বিস্ফোরণ, আতঙ্ক

থানচিতে ব্যবসায়ী নিখোঁজ

বান্দরবানে পর্যটকবাহী বাস পড়ল খাদে, আহত ২০

পাহাড়ের পাদদেশে পড়ে ছিল মারমা মা–মেয়ের লাশ