হোম > সারা দেশ > বাগেরহাট

১১ দিনেও সুন্দরবনে অপহৃত ২০ জেলের খোঁজ মেলেনি

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

সুন্দরবনে অপহৃত ২০ জেলের খোঁজ মেলেনি। ছবি: আজকের পত্রিকা

সুন্দরবনে অপহরণের ১১ দিন পরেও খোঁজ মেলেনি ২০ জেলের। মহাজনেরা জানান, দস্যুরা জেলেপ্রতি সাড়ে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছে। সেই টাকা না দিলে জেলেদের ভাগ্যে করুণ পরিণতি ঘটবে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে ১৬ ফেব্রুয়ারি রাতে বঙ্গোপসাগরের নারিকেলবাড়িয়া ও আমবাড়িয়া এলাকায় মৎস্য আহরণকালে।

ওই সময় ২০টি ট্রলার থেকে জেলে অপহৃত হন। অস্ত্রসজ্জিত জলদস্যু সুমন ও জাহাঙ্গীর বাহিনীর হাতে। অপহৃত জেলেরা পূর্ব সুন্দরবনের দুবলার চরের শুঁটকি উৎপাদন কেন্দ্রের আলোরকোল ও নারিকেলবাড়িয়া শুঁটকিপল্লি বাসিন্দা।

জেলেরা হলেন হরিদাস বিশ্বাস, গোপাল বিশ্বাস, রমেশ বিশ্বাস, প্রশান্ত বিশ্বাস, শংকর বিশ্বাস, তুষার বিশ্বাস, মনিরুল ইসলাম, উজ্জ্বল বিশ্বাস, কালীদাস বিশ্বাস, কাশেম মোড়ল, সাধন বিশ্বাস, শিবপদ বিশ্বাস, রশিদ সরদার, প্রকাশ বিশ্বাস, ইয়াসিন মোড়ল, শিমুল, রূপকুমার বিশ্বাস, গণেশ বিশ্বাস, উত্তম বিশ্বাস ও বাটু বিশ্বাস। এঁদের বাড়ি খুলনার পাইকগাছা, কয়রা ও আশাশুনি এলাকায়।

জানা যায়, গত দেড় বছরে সুন্দরবনে অন্তত ২০টি দস্যু বাহিনীর উত্থান ঘটে। সম্প্রতি সুন্দরবনে জলদস্যুর দৌরাত্ম্য বেড়ে যাওয়ায় জেলে ও ব্যবসায়ীরা নিরাপত্তাহীন অবস্থায় পড়েছেন। উদ্বেগ দেখা দেয় বন বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে।

সুন্দরবন দস্যুমুক্ত করতে ২৪ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে শুরু হয়েছে যৌথ অভিযান। এতে অংশ নিচ্ছে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে নৌবাহিনী, র‍্যাব ও পুলিশ। অভিযান সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে, সুন্দরবন দস্যুমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত অপারেশন চলবে।

অপর দিকে দস্যুদের কারণে জেলেরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শুধু দিনের বেলায় মাছ ধরছেন। দুবলার চরের শুঁটকিপল্লি মহাজন মোতাসিম ফরাজী, জাকির শেখ, আব্দুর রউফ মেম্বর ও পঙ্কজ বিশ্বাস বলেন, অপহরণের কারণে স্থানীয় মাছ ধরা কার্যক্রম বিপর্যস্ত।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ‘সুন্দরবন রক্ষায় আমরা’ সংগঠনের প্রধান সমন্বয়কারী মো. নূর আলম শেখ বলেন, সুন্দরবনে দস্যুদের আধিপত্য বেড়ে যাওয়ায় বনজীবী ও ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে রয়েছেন।

তিনি বলেন, মহড়া দিয়ে অভিযান নয়, গোপন ছদ্মবেশে অভিযান চালিয়ে গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো প্রয়োজন।

দুবলার ফিশারম্যান গ্রুপের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, সুন্দরবন এখন দস্যুদের অভয়াশ্রমে পরিণত হয়েছে। এ অবস্থায় মাছের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তিনি মনে করিয়ে দেন, যৌথ বাহিনীর অভিযান কেবল মহড়ার মতো নয়, বাস্তবায়নে গোয়েন্দা তৎপরতা প্রয়োজন।

পরিবেশ ও বন প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, যেকোনো মূল্যে সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করা হবে। জেলে ও বনজীবীদের জীবন ও জীবিকা রক্ষা করতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

চাঁদা না পেয়ে মাদ্রাসা ভবনের কাজ বন্ধ করে দিলেন বিএনপি নেতা

বাগেরহাটের ফকিরহাট: অবাধে পরিযায়ী পাখি বিক্রি

মোংলা বন্দরের সক্ষমতার সবটুকু ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে: মন্ত্রী রবিউল আলম

সুন্দরবনে দস্যু আতঙ্কে মাছ ধরা বন্ধ

নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা: বাগেরহাটে স্বতন্ত্র প্রার্থীর আহত সমর্থকের মৃত্যু

বাগেরহাটে নির্বাচন-পরবর্তী পাল্টাপাল্টি হামলা-ভাঙচুর, আহত ৩৫

বাগেরহাটে তিনটিতে জামায়াত, একটিতে বিএনপি বিজয়ী

বাগেরহাটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের জয়জয়কার

বাগেরহাটে বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষে আহত ১৯, পৃথক স্থানে অভিযানে অস্ত্রসহ আটক ১

বাগেরহাটে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ শুরু